নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি : নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন ফকিরের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চালানো অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, একটি স্বার্থান্বেষী চক্র জাল জন্মনিবন্ধনের অভিযোগ তুলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। তিনি এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি পক্ষ দাবি করে, ডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইস্যু করা কথিত একটি জন্মনিবন্ধন ব্যবহার করে একাধিক ব্যক্তি পাসপোর্ট তৈরি করে বিদেশে গেছেন। তবে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনুসন্ধান এবং নরসিংদী পাসপোর্ট অফিসে খোঁজ নিয়ে এ দাবির সত্যতা পাওয়া যায়নি। পাসপোর্ট অফিসের তথ্য অনুযায়ী, আলোচিত ওই জন্মনিবন্ধন ব্যবহার করে কোনো পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়নি। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো এ দাবির কোনো ভিত্তি মেলেনি।
সাখাওয়াত হোসেন ফকির অভিযোগ করেন, নিজেদের সাংবাদিক পরিচয়দানকারী কয়েকজন ফেসবুকভিত্তিক ব্যক্তি এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁর কাছে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করেন। তিনি অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা শুরু করেন। এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সাখাওয়াত হোসেন ফকির। তিনি বলেন, “আমার দীর্ঘ চাকরি জীবনে আমি জেনেশুনে কোনো অনিয়ম করিনি।
একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জাল-জালিয়াতি করে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।” তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহার করে তাঁর সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণেরও আহ্বান জানান।
কিউএনবি/আয়শা/১৪ জুলাই ২০২৬,/বিকাল ৪:৫৫