বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রে সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, প্রাণ হারালেন ২ সেনাসদস্য মানবাধিকার নিয়ে ফ্রান্সের অবস্থান ‘নির্লজ্জ ও দ্বিচারিতা’: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর কলম্বিয়ায় রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা ইয়েমেনে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ১৫৩ জনের প্রাণহানি দেশে ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম ডনের সেই অন্তরঙ্গ ছবির বিষয়ে যা জানালেন সামিরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সম্পর্কে ভারতীয় সাংবাদিক সুবীর ভৌমিকের অর্বাচীনতা রাত ১টার মধ্যে ৬ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আভাস নওগাঁর পত্নীতলায় দৈনিক করতোয়ার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বিরামপুরে খানপুর ইউনিয়নে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক যুব দিবস পালিত

ধেয়ে আসছে ভয়ংকর সুপার এল নিনো, ক্ষতি ঠেকাতে বিজ্ঞানীদের নতুন পরিকল্পনা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৩ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হতে পারে এবারের সুপার এল নিনো। এমন আশঙ্কাই করছেন বিজ্ঞানীরা। আর সেই শঙ্কার মধ্যেই উঠে এসেছে বিতর্কিত এক ধারণা। সূর্যের কিছু আলো সাময়িকভাবে পৃথিবীতে পৌঁছাতে না দিয়ে এল নিনোর তীব্রতা কমানো যায় কি না, তা নিয়ে চলছে গবেষণা।

সাধারণত প্রশান্ত মহাসাগরের পানির অস্বাভাবিক উষ্ণতা থেকেই তৈরি হয় এল নিনো। এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে বাড়ে তাপমাত্রা, খরা, দাবানল, অতিবৃষ্টি ও বন্যার মতো চরম আবহাওয়ার ঘটনা। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সেই প্রভাব আরও তীব্র হচ্ছে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা। সায়েন্স অ্যাডভান্সেস জার্নালে প্রকাশিত নতুন গবেষণায় বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করেছেন ‘মেরিন ক্লাউড ব্রাইটেনিং’ নামে পরিচিত একটি পদ্ধতি। এতে সমুদ্রের ওপরের মেঘে সূক্ষ্ম কণা ছড়িয়ে মেঘকে আরও বেশি সূর্যালোক প্রতিফলিত করতে সাহায্য করা হয়, যাতে পৃথিবীতে কম তাপ পৌঁছায়। 

বাস্তবে এমন পরীক্ষা না চালিয়ে, ২০১৯-২০ সালে অস্ট্রেলিয়ার ভয়াবহ দাবানলের ধোঁয়া থেকে তৈরি হওয়া প্রাকৃতিক পরিস্থিতির তথ্য ব্যবহার করেছেন গবেষকরা। তাদের জলবায়ু মডেল বলছে, সঠিক সময়ে এই প্রযুক্তি প্রয়োগ করা গেলে শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাব প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব হতে পারে। তবে গবেষকরাই বলছেন, এটি কোনো সমাধান নয়, বরং সম্ভাবনা যাচাইয়ের একটি প্রাথমিক ধাপ। কারণ, এল নিনো দুর্বল করতে গিয়ে বিপরীতভাবে লা নিনার প্রভাব অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে। এতে এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায় অতিবৃষ্টি এবং বিশ্বের অন্য অঞ্চলে নতুন আবহাওয়া সংকট দেখা দেয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
 
এছাড়া এই প্রযুক্তি বাস্তবায়নের মতো সক্ষম যন্ত্রপাতিও এখনও তৈরি হয়নি। এর সঙ্গে রয়েছে পরিবেশগত, রাজনৈতিক ও নৈতিক নানা প্রশ্ন। তাই বিজ্ঞানীদের মতে, সুপার এল নিনোর ক্ষতি কমানোর উপায় হিসেবে বিষয়টি আরও গভীর গবেষণার দাবি রাখে, তবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গ্রিনহাউস গ্যাস কমানোর বিকল্প এটি নয়।

কিউএনবি/আয়শা/১১ জুলাই ২০২৬,/বিকাল ৫:১৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit