শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পরীক্ষা দিতে পারলে না দুই ছাত্রী, খোয়ালেন গয়না-প্রবেশপত্র চলতি বছর ৩২০ সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৬০ শিক্ষার্থী নিহত: যাত্রী কল্যাণ সমিতি খাগড়াছড়ির বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী, ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে এাণ সামগ্রী বিতরণ। ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের প্রতিষ্ঠানে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদার ধেয়ে আসছে ভয়ংকর সুপার এল নিনো, ক্ষতি ঠেকাতে বিজ্ঞানীদের নতুন পরিকল্পনা হালান্ডের সঙ্গে তুলনায় নারাজ হ্যারি কেইন ধেয়ে আসছে টাইফুন ‘বাভি’, সরানো হলো ৬ লাখের বেশি মানুষ মাটিরাঙ্গায় টানা ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ। নাম থেকে বাবার পদবি মুছে ফেললেন নেতানিয়াহুর ছেলে সিঙ্গাপুর কানাডা নয় বাংলাদেশকে সবুজ-বাসযোগ্য দেশে পরিণত করতে চাই: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

ধেয়ে আসছে ভয়ংকর সুপার এল নিনো, ক্ষতি ঠেকাতে বিজ্ঞানীদের নতুন পরিকল্পনা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬
  • ১৮ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হতে পারে এবারের সুপার এল নিনো। এমন আশঙ্কাই করছেন বিজ্ঞানীরা। আর সেই শঙ্কার মধ্যেই উঠে এসেছে বিতর্কিত এক ধারণা। সূর্যের কিছু আলো সাময়িকভাবে পৃথিবীতে পৌঁছাতে না দিয়ে এল নিনোর তীব্রতা কমানো যায় কি না, তা নিয়ে চলছে গবেষণা।

সাধারণত প্রশান্ত মহাসাগরের পানির অস্বাভাবিক উষ্ণতা থেকেই তৈরি হয় এল নিনো। এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে বাড়ে তাপমাত্রা, খরা, দাবানল, অতিবৃষ্টি ও বন্যার মতো চরম আবহাওয়ার ঘটনা। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সেই প্রভাব আরও তীব্র হচ্ছে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা। সায়েন্স অ্যাডভান্সেস জার্নালে প্রকাশিত নতুন গবেষণায় বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করেছেন ‘মেরিন ক্লাউড ব্রাইটেনিং’ নামে পরিচিত একটি পদ্ধতি। এতে সমুদ্রের ওপরের মেঘে সূক্ষ্ম কণা ছড়িয়ে মেঘকে আরও বেশি সূর্যালোক প্রতিফলিত করতে সাহায্য করা হয়, যাতে পৃথিবীতে কম তাপ পৌঁছায়। 

বাস্তবে এমন পরীক্ষা না চালিয়ে, ২০১৯-২০ সালে অস্ট্রেলিয়ার ভয়াবহ দাবানলের ধোঁয়া থেকে তৈরি হওয়া প্রাকৃতিক পরিস্থিতির তথ্য ব্যবহার করেছেন গবেষকরা। তাদের জলবায়ু মডেল বলছে, সঠিক সময়ে এই প্রযুক্তি প্রয়োগ করা গেলে শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাব প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব হতে পারে। তবে গবেষকরাই বলছেন, এটি কোনো সমাধান নয়, বরং সম্ভাবনা যাচাইয়ের একটি প্রাথমিক ধাপ। কারণ, এল নিনো দুর্বল করতে গিয়ে বিপরীতভাবে লা নিনার প্রভাব অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে। এতে এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায় অতিবৃষ্টি এবং বিশ্বের অন্য অঞ্চলে নতুন আবহাওয়া সংকট দেখা দেয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
 
এছাড়া এই প্রযুক্তি বাস্তবায়নের মতো সক্ষম যন্ত্রপাতিও এখনও তৈরি হয়নি। এর সঙ্গে রয়েছে পরিবেশগত, রাজনৈতিক ও নৈতিক নানা প্রশ্ন। তাই বিজ্ঞানীদের মতে, সুপার এল নিনোর ক্ষতি কমানোর উপায় হিসেবে বিষয়টি আরও গভীর গবেষণার দাবি রাখে, তবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গ্রিনহাউস গ্যাস কমানোর বিকল্প এটি নয়।

কিউএনবি/আয়শা/১১ জুলাই ২০২৬,/বিকাল ৫:১৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit