ডেস্ক নিউজ : বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ৯টায় আবহাওয়া অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহে ২৫৮ মিলিমিটার, বান্দরবানের লামায় ২১৮, বান্দরবনে ১৯৫, ভৈরব বাজারে ১৯৩, হবিগঞ্জের ইটাখোলায় ১৮৮, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ১৮৪, রাঙ্গামাটিতে ১৬৪, ঠাকুরগাঁয়ে ১৫৬ এবং কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ১৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
এছাড়া চট্টগ্রামের পাঁচপুকুরিয়ায় ১৪৮ মিলিমিটার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৩১, হবিগঞ্জের চাঁদপুর বাগানে ১২৯, শেরপুর-সিলেট ১২৮, রংপুরের কাউনিয়ায় ১২২, জামালপুরে ১২১, সুনামগঞ্জের দেরাইয়ে ১১০, হবিগঞ্জে ১১০, সুনামগঞ্জের মহেশখোলায় ১০২, নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ১০১, গাইবান্ধায় ১০১, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ১০০ এবং সুনামগঞ্জের ১০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে।
অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় কোচবিহার (পশ্চিমবঙ্গ) ১০৪, আগরতলা (ত্রিপুরা) ৮৮, সাবরুম (ত্রিপুরা) ৮৫, মনুঘাট (ত্রিপুরা) ৮৩, কুমারঘাট (ত্রিপুরা) ৬৮, অমরপুর (ত্রিপুরা) ৫৬, কৈলাশহর (ত্রিপুরা) ৫৯, পাসিঘাট (অরুণাচল) ৫৫, খোয়াই (ত্রিপুরা) ৫৪ এবং সিলচর (আসাম) ৪৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে।
অন্যদিকে সকাল ৯ টায় পাউবোর বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, সাঙ্গু নদীর বান্দরবান পয়েন্টে বিপৎসীমার ৯৬ সেন্টিমিটার এবং মাতামুহুরী নদীর লামা বান্দরবান পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। দেশের নদ-নদীর মোট ১২৭টি স্টেশনের মধ্যে পানি বেড়েছে ৬৯টির, কমেছে ৫৩টির অপরিবর্তিত রয়েছে ৫টির।
সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী সতর্কসীমায় (বিপৎসীমার কাছাকাছি) প্রবাহিত স্টেশনসমূহের মধ্যে রয়েছে-
তিস্তা নদী ডালিয়া (নীলফামারী), কাউনিয়া (রংপুর), তারাপুর (গাইবান্ধা) স্টেশন, কুশিয়ারা নদী ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট), মারকুলি (হবিগঞ্জ) স্টেশন, সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দা (নেত্রকোণা) স্টেশন।
কিউএনবি/আয়শা/০৮ জুলাই ২০২৬,/দুপুর ২:০০