বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মাঠে গড়াচ্ছে আফগান প্রিমিয়ার লিগ আটোয়ারীতে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী(সা:) উপলক্ষে আনন্দ মিছিল ‎’‎’লালমনিরহাটে শিক্ষক আরিফুল হত্যা’ আইনশৃঙ্খলা নষ্টকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না——ত্রাণমন্ত্রী ‘শেখ হাসিনার কবর এ দেশের মাটিতে হবে না’ রাঙামাটিতে সারজিস আলম নোয়াখালীতে ডেঙ্গুতে যুবকের মৃত্যু মাটিরাঙ্গা জোনের উদ্যোগে  বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও শিক্ষার্থীদের। মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরন।  মাটিরাঙ্গায় ওয়ার্ড পর্যায়ে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত। মাটিরাঙ্গায় নবাগত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ম্রাসাথোয়াই মারমা কে বিএনপির ফুলেল শুভেচ্ছা। ভূরুঙ্গামারীতে ঈদে মিলাদুন্নবীর সরকারি ছুটিতেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা, চলছে পাঠদান ও পরীক্ষা নেত্রকোণায় আওয়ামী লীগের ৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

ঢাবি’র অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক-এর মৃত্যুতে ঢাবি উপাচার্যের শোক প্রকাশ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৭ Time View
জালাল আহমদ, ঢাবি প্রতিনিধি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আজ ০৫ জুলাই (২০২৬) রবিবার রাজধানীর একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
এক শোক বাণীতে উপাচার্য বলেন, তিনি নিষ্ঠাবান শিক্ষক, প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, লেখক ও গবেষক ছিলেন। শিক্ষা ও গবেষণায় বিশেষ অবদান এবং অসাধারণ সাহিত্যকর্মের জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। উপাচার্য মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
উল্লেখ্য, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ১৯৪০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫৯ সালে ময়মনসিংহ জিলা স্কুল থেকে প্রবেশিকা এবং ১৯৬১ সালে আনন্দমোহন কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৫ সালে তিনি স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৬ সালে স্নাতকোত্তর পাশ করেন।
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে দীর্ঘ চার দশক শিক্ষকতা করেন। তিনি ১৯৮২ সাল থেকে লোকায়ত নামে একটি সাময়িকপত্র সম্পাদনা করে আসছিলেন। পত্রপত্রিকায় তিনি সমাজ ও রাজনীতি বিষয়ে নিয়মিত কলাম লিখেছেন। ২০০০ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি স্বদেশ চিন্তা সংঘের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের ২৭শে অক্টোবর তিনি বাংলা একাডেমির সভাপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ লেখক শিবির পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার ও অলক্ত সাহিত্য পুরস্কার পান। তাঁর লেখা বইয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য: মুক্তিসংগ্রাম (১৯৭২), কালের যাত্রার ধ্বনি (১৯৭৩), উনিশ শতকের মধ্যশ্রেণি ও বাংলা সাহিত্য (১৯৭৯), নৈতিকতা: শ্রেয়োনীতি ও দুর্নীতি (১৯৮১), রাজনীতি ও দর্শন (১৯৮৯), আশা-আকাঙ্ক্ষার সমর্থনে (১৯৯৩), সাহিত্যচিন্তা (১৯৯৫), বাংলাদেশের রাজনীতিতে বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা (১৯৯৭), অবক্ষয় ও উত্তরণ (১৯৯৮), রাজনীতি ও সংস্কৃতি: সম্ভাবনার নবদিগন্ত (২০০২), সাহিত্য ও সংস্কৃতি প্রসঙ্গে (২০০২), আধুনিকতাবাদ ও জীবনানন্দের জীবনোৎকণ্ঠা (২০০৪), মানুষের স্বরূপ (২০০৭), রাষ্ট্রচিন্তায় বাংলাদেশ (২০০৮), প্রাচুর্যে রিক্ততা (২০১০) ইত্যাদি। এছাড়া তাঁর বেশ কিছু অনুবাদ ও সম্পাদিত গ্রন্থ রয়েছে।

বাংলা বিভাগের শোকবার্তা: 

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ শোক প্রকাশ করেছে। এক শোক বাণীতে বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ সালেকীন) বলেন, ‘‘তিনি ছিলেন  একজন নীতিবাদী রাজনৈতিক দার্শনিক। তাঁর এই প্রয়াণে বাংলাদেশ একজন গুরুত্বপূর্ণ মনীষীকে হারাল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছে এবং তাঁর পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছে।’’

 

কিউএনবি/আয়শা/০৬ জুলাই ২০২৬,/সন্ধ্যা ৭:২২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit