ডেস্ক নিউজ : শেখ রবিউল আলম একই সঙ্গে সড়ক, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। দেশের যোগাযোগব্যবস্থার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একাই পালন করছেন তিনি। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি তাঁর বক্তব্যদান, একই সঙ্গে তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনসহ নানা কারণে আলোচনায় এসেছেন। কেউ কেউ সমালোচনার বাণেও তাঁকে বিদ্ধ করার চেষ্টা করেছেন। নানা কথায় কান না দিয়ে নিজে কাজ, কাজ এবং কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছেন তিনি।
সম্প্রতি ঈদযাত্রা সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পেছনে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয় ব্যবস্থা জোরদারে তাঁর ছিল নিরলস কর্মনিষ্ঠা। এত কিছুর পরও তাঁকে নিয়ে আলোচনা পিছু ছাড়ছে না।
সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে অর্পিত দায়িত্ব পালন করাই তাঁর লক্ষ্য। নিজের মন্ত্রণালয়গুলোর কর্মসূচি ও প্রকল্প বাস্তবায়নে কঠিন সব বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রকেট গতির সঙ্গে তাঁর গতি বেড়েছে সমানতালে।
তিনি কাজ করতে গিয়ে দেখছেন বিভিন্ন চ্যালেঞ্জও। কিন্তু তিনি এটিকে ‘ব্যবস্থাপনা’ হিসেবে দেখছেন। ফলে কোনো চ্যালেঞ্জকেই তিনি চ্যালেঞ্জ হিসেবে মানতে নারাজ। তাঁর ভাষায়—‘এভরিথিং ইজ ভেরি গুড’।
গতকাল বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে এক সাক্ষাৎকারে এভাবেই নিজের মনোভাব তুলে ধরেন তিনি।
সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচি চলছে। এর মধ্যে অতিবাহিত হয়েছে ১০০ দিন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘১৮০ দিনের কর্মসূচি নিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করছি না আপাতত। সরকার এটা কেন্দ্রীয়ভাবে করবে। আমাদের মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি আমরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জমা দিয়েছি। বিচ্ছিন্নভাবে আমি কিছু বলতে চাইছি না। আমাদের যে টার্গেটগুলো ছিল তা পূরণ করার চেষ্টা করেছি। বেসিক্যালি তিন মাস কোনো টার্গেট না। আমাদের কর্মসূচি ১৮০ দিনের। এর মাত্র অর্ধেক সময় পার হয়েছে। এখনো কাজ চলছে।’
আরো এক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেখান থেকে যতটুকু বলা দরকার সেটা প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র বলবেন।’ এখন পর্যন্ত কী ধরনের প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করতে হয়েছে, চ্যালেঞ্জ কী কী ছিল—জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কোনো চ্যালেঞ্জ নেই। এভরিথিং ইজ ভেরি গুড। যেকোনো কাজেই চ্যালেঞ্জ থাকে। আর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করাটাই হচ্ছে ব্যবস্থাপনা।’
মন্ত্রিপরিষদে রদবদল অথবা কোনো কোনো মন্ত্রীকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে—এমন আলোচনা আছে, এ প্রসঙ্গে এই আলোচিত মন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিকের কাজ আর সাধারণ মানুষের কাজ কি এক হয়? সাংবাদিক চোখ এবং কান দিয়ে সঠিকটা জানবেন। কিছুটা জানার পর ক্ল্যারিফিকেশন জরুরি। কিন্তু একটা কথা বাজারে শুনলাম পরে এটা জানতে চাইলাম, এর কী উত্তর দেব? এর উত্তর দেওয়ার রুচিও থাকবে না। এর ভিত্তি বা কারণ থাকতে হবে, তাই না?’
কিউএনবি/অনিমা/০৪.০৬.২০২৬/সকাল ১১.১০