বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম

আরও ৬০ দিন বাড়ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬
  • ৪০ Time View

ডেস্কনিউজঃ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আরও ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ীভাবে সংঘাতের অবসান নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যে একটি প্রাথমিক সমঝোতা স্মারকে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আল জাজিরার বৃহস্পতিবার (২৮ মে) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, চুক্তিটি কার্যকর হতে এখনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চূড়ান্ত অনুমোদন প্রয়োজন। এ চুক্তি বাস্তবায়ন হলে কয়েক সপ্তাহ ধরে স্থবির থাকা কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হবে।

মার্কিন সূত্রগুলোর বরাতে জানা গেছে, সমঝোতার বিস্তারিত তথ্য এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। ৬০ দিনের এই সময়সীমা আলোচনার চূড়ান্ত সময়সীমা কি না, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কারণ বর্তমানে চলমান যুদ্ধবিরতি অনির্দিষ্টকালীনভাবেই বহাল রয়েছে।

সম্প্রতি উপসাগরীয় অঞ্চলে দুই দেশের মধ্যে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের ঘটনা যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি করেছিল। বৃহস্পতিবারও উভয় পক্ষ সীমিত পাল্টাপাল্টি হামলা চালায়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য সমঝোতায় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল অবাধ রাখার বিষয়টি রয়েছে। একইসঙ্গে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

ইরানের দাবি, হরমুজ প্রণালি ইরান ও ওমানের জলসীমার মধ্যে হওয়ায় যৌথভাবে এটি পরিচালিত হওয়া উচিত। তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের যেকোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ বা টোল ব্যবস্থার বিরোধিতা করে আসছে।

এদিকে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বৃহস্পতিবার ওমানকে সতর্ক করে বলেন, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ফি আরোপে সহায়তা করলে দেশটির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে।

বেসেন্ট জানান, ট্রাম্প ইরানের জন্য ৩টি শর্ত স্পষ্ট করেছেন, হরমুজ প্রণালি আবারো উন্মুক্ত করা, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত ত্যাগ করা এবং পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করা।

অন্যদিকে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম এক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার দাবি সঠিক নয়। সূত্রটি বলেছে, চুক্তি চূড়ান্ত হলে ইরান পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারী ও জনগণকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বৃহস্পতিবার জানান, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে না। তিনি বলেন, ‘আমরা অপমানজনক কূটনীতিতে বিশ্বাস করি না।’

তবে সম্ভাব্য সমঝোতা হরমুজ ইস্যুর সমাধান আনতে পারলেও, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা, ইরানের ইউরেনিয়াম মজুত এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কর্মসূচি নিয়ে বিরোধ এখনো রয়ে গেছে।

এ ছাড়া লেবাননে চলমান সংঘাতও আলোচনায় বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে। সেখানে ইসরায়েল সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হামলা জোরদার করেছে। ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহও ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে ড্রোন হামলা বাড়িয়েছে।

ইরান আগে জানিয়েছিল, যে কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় লেবাননকেও অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।

কিউএনবি/বিপুল/২৯.০৫.২০২৬/সন্ধ্যা ৭.১৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit