শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জেরুজালেমের গ্র্যান্ড মুফতিকে আল-আকসায় নিষিদ্ধ করল ইসরাইল প্রধানমন্ত্রীর ব্যবহারে মুগ্ধ জুলাই যোদ্ধার মা আমার কাছে সংসার হলো পরম প্রশান্তির জায়গা : বর্ষা আমার সম্মান নৈতিকতা ও চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে: পরীমনি আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা খেল সুইজারল্যান্ড বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করতে চান শেখ হাসিনা: রাজনীতিতে এক চালবাজি ঘোষণা মাত্র রাত ১টার মধ্যে ১৭ জেলায় অতিভারী বৃষ্টির আভাস খামেনির হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার ইরানের চট্টগ্রামের বন্যা উন্নতির পূর্বাভাস, সিলেট-রংপুরে শঙ্কা

শিশু রামিসা হত্যা: চার্জশিটে উঠে এলো গা শিউরে ওঠা নৃশংসতা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬
  • ৩৮ Time View

ডেস্ক নিউজ : রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় আদালতে ৪৭ পৃষ্ঠার চাঞ্চল্যকর অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশ। 

মাত্র পাঁচ দিনের দ্রুততম তদন্ত শেষে গত রবিবার পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে এটি জমা দেন। 

পরে মামলাটি ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হলে বিচারক মাসরুর সালেকিন তা আমলে নেন। আগামী ১ জুন মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

আইনি লড়াইয়ের জন্য এই মামলায় আজিজুর রহমান দুলুকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, অভিযুক্তের পক্ষে আইনি সহায়তার জন্য সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুসা কলিমুল্লাহকে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী করা হয়েছে।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী, গত ২০ মে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে মূল অভিযুক্ত অটোরিকশা মেকানিক সোহেল রানা (৩০) নিজের অপরাধের বিবরণ দেন। তিনি জানান, সাবলেট বাসার অন্য সদস্যরা কাজে চলে যাওয়ার পর সকালে তিনি নিয়মিত মাদক সেবন করতেন।

গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পাশের বাসার শিশু রামিসাকে দেখে ঘরে ডেকে নেন সোহেল। এরপর তাকে বাথরুমে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়। রামিসা চিৎকার করতে চাইলে তার মুখ চেপে ধরে এবং মুখে কাপড় গুঁজে দিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়।

জবানবন্দিতে সোহেল জানান, ধর্ষণের একপর্যায়ে শিশুটি জ্ঞান হারালে তিনি ধরে নেন রামিসা মারা গেছে। এরপর অপরাধের প্রমাণ চিরতরে মুছে ফেলার উদ্দেশ্যে একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশুটির মরদেহ বিকৃত করার চেষ্টা করেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনেও এর সত্যতা মিলেছে। চিকিৎসকদের মতে, মাথা বিচ্ছিন্ন করার কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও শকে রামিসার মৃত্যু হয় এবং তার শরীরের ক্ষতগুলো জীবিত থাকা অবস্থাতেই তৈরি হয়েছিল।

সোহেলের জবানবন্দিতে পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহও উঠে এসেছে। তিনি জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সবাই যখন রামিসাকে খুঁজছিল, তখন তার মা আমার ঘরের সামনে রামিসার জুতো দেখতে পান। তিনি রামিসাকে ডাকতে থাকেন। কোনো সাড়া না পেয়ে লোকজন আমার দরজায় ধাক্কা দিতে শুরু করে।

তিনি আরও জানান, ‘আমার স্ত্রী আমাকে পালিয়ে যেতে বলে। আমি রেঞ্জ দিয়ে জানালার গ্রিল ভেঙে ফেলি। লোকজন যখন দরজায় সমানে ধাক্কা দিচ্ছিল, তখন আমার স্ত্রী দরজা চেপে ধরে রেখে আমাকে পালাতে সাহায্য করে।’ সোহেল পালিয়ে যাওয়ার পরই তার স্ত্রী দরজা খুলে দেয় বলে জবানবন্দিতে জানানো হয়।

কিউএনবি/অনিমা/২৬.০৫.২০২৬/সকাল ১১:১৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit