
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে সরেজমিন ফুলবাড়ীর বিভিন্ন তেল পাম্প ঘুরে দেখা যায়, পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন। কোথাও কোথাও পাম্প বন্ধও রয়েছে। অনেক চালককে ১০০ থেকে ২০০ টাকার তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনে অনেক সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
তেল নিতে লাইনে থাকা ক্রেতাদের অভিযোগ রয়েছে, পরিচিত ব্যক্তিরা তুলনামূলক বেশি তেল পাচ্ছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, বর্তমান সময়ে সড়কে চলাচলের ক্ষেত্রে মোটরসাইকেল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত যান। কিন্তু তেল না পাওয়ায় চালকদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। অনেক পাম্পে ১০০ থেকে ২০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না, আবার কোথাও তেল না থাকায় পাম্প বন্ধ রাখা হয়েছে। তেল মজুত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।
উপজেলার ফুলবাড়ী ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা আসিফ বলেন, আমি দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পরও মাত্র ১০০ টাকার তেল পেলাম। অথচ আমি দুই ঘন্টার উপরে লাইনে দাড়িয়ে আছি। এতে চলাচল করাই কঠিন হয়ে পড়ছে। অনেক পাম্প বন্ধ থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
পার্বতীপুরের মেরিনা ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা জামিল হোসেন বলেন, পাম্পে তেল দিচ্ছে শুনে এসে দেখি দির্ঘ লাইন। কমপক্ষে ৩ থেকে ৪”শ মটরসাইকেল হবে। তারপরও তেল একশ টাকার বেশি দেবে না। মোটরসাইকেলের তেলের জন্য মানুষের মধ্যে যেন হাহাকার সৃষ্টি হয়েছে।
কৃষক জমির উদ্দিন বলেন,পাম্পে মটরসাইকেলে লাইন ধরে তেল নিচ্ছে তারপরও তাদের কোন সমস্যা নেই। কিন্তু আমরাতো চাষি আমাদের সেচের জন্য তেল নিতে গিয়েই যদি দিন শেষ হয়ে যায়। তাহলে আমাদের কি হবে।
এবিষয়ে দিনাজপুর জেলা প্রশাসক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রফিকুল ইসলাম বলেন, যেসব পাম্পে তেল মজুত থাকা সত্ত্বেও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হবে, তথ্য পেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃত্তিম সংকট তৈরীকারিদের কোন ছাড় নেই।
কিউএনবি/আয়শা/২৬ মার্চ ২০২৬,/রাত ১১:০০