বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০০ অপরাহ্ন

২০০৩ সালের পর মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক সমাবেশ

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫২ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান স্নায়ুযুদ্ধের চরম উত্তেজনার মাঝে মধ্যপ্রাচ্যে ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণের পর বৃহত্তম বিমান শক্তি জড়ো করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। 

দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, অত্যাধুনিক এফ-৩৫ লাইটনিং ও এফ-২২ র্যাপ্টর স্টিলথ ফাইটারসহ কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান ইতিমধ্যে জর্ডানের মুওয়াফ্ফাক সালতি এবং সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে অবস্থান নিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা এই বিশাল সামরিক বহর যেকোনো মুহূর্তে ইরানের ওপর ভয়াবহ আঘাত হানতে প্রস্তুত।

আকাশপথের শক্তির পাশাপাশি সমুদ্রপথেও নিজেদের অবস্থান সুসংহত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পারস্য উপসাগর এবং ভূমধ্যসাগর অঞ্চলে বর্তমানে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনসহ ১৩টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড তার নিজস্ব স্ট্রাইক গ্রুপ নিয়ে এই অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গত জুনের ‘মিডনাইট হ্যামার’ অপারেশনের মতো একক কোনো হামলা নয়, বরং কয়েক সপ্তাহব্যাপী দীর্ঘস্থায়ী বিমান যুদ্ধের সক্ষমতা নিয়ে এবার মাঠে নেমেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

তবে এই সামরিক প্রস্তুতির মাঝেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা লক্ষ্য করা গেছে। হোয়াইট হাউসের সূত্রমতে, ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে এই হামলার পক্ষে-বিপক্ষে নানা যুক্তি বিবেচনা করছেন এবং মিত্রদের সাথে পরামর্শ করছেন। হামলার লক্ষ্যবস্তু কেবল ইরানের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি তেহরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করা হবে—সে বিষয়ে এখনও কোনো স্পষ্ট রূপরেখা পাওয়া যায়নি। 

এদিকে জেনেভায় দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতির খবর পাওয়া গেলেও উভয় পক্ষই তাদের মৌলিক অবস্থানে অনড় রয়েছে। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরানও তার বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার এবং আঞ্চলিক প্রক্সি বাহিনীগুলোকে সতর্ক অবস্থায় রেখেছে। তেহরান হুমকি দিয়েছে যে হামলা হলে তারা বিশ্ব অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেবে। 

প্রাক্তন মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, এই বিশাল শক্তি প্রদর্শনের মূল উদ্দেশ্য হতে পারে ইরানকে একটি কঠিন চুক্তিতে আসতে বাধ্য করা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের কাছে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, আমি মনে করি না যে তারা (ইরান) চুক্তি না করার পরিণাম ভোগ করতে প্রস্তুত।

সূত্র: এনডিটিভি।

কিউএনবি/আয়শা/২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,/রাত ৯:৪০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit