আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যে চলতি সপ্তাহে ওয়াশিংটন সফরে যাচ্ছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন যে ইরানের সঙ্গে যেকোনো চুক্তিতে অবশ্যই তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচির ওপর কঠোর সীমাবদ্ধতা থাকতে হবে। একইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের মদদপুষ্ট ছায়া গোষ্ঠী বা ‘প্রক্সি’দের সমর্থন বন্ধ করার বিষয়টিও আলোচনার টেবিলে রাখা বাধ্যতামূলক। মূলত ওমানে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় ইরানের মিসাইল কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত না হওয়ার খবরে ইসরাইল যে উদ্বিগ্ন, নেতানিয়াহুর এই অবস্থানে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।
এই সফরটি হবে গত এক বছরে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে নেতানিয়াহুর সপ্তম মার্কিন সফর। ১৩ ফেব্রুয়ারি সকালে তার ইসরাইলে ফেরার কথা রয়েছে। বিশেষ এই সফরে নেতানিয়াহুর সঙ্গে ইসরাইলি বিমান বাহিনীর হবু প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওমের টিশলারও যোগ দিচ্ছেন, যা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে, ওমানে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে আলোচনার একদিন পরই ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনার আরব সাগরে অবস্থানরত মার্কিন রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’ পরিদর্শন করেছেন। গত জুনে ইসরাইল-ইরান যুদ্ধের পর এই প্রথম ওয়াশিংটন ও তেহরান সরাসরি বা পরোক্ষ আলোচনায় বসেছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহের শুরুতে ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা আলোচনা হতে পারে এবং ইরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে খুবই আগ্রহী বলে মনে হচ্ছে। তবে ইসরাইল সাফ জানিয়ে দিয়েছে, পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণের পাশাপাশি ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ না করলে কোনো চুক্তিই টেকসই হবে না।
সূত্র: দ্য টাইমস্ অব ইসরাইল।
কিউএনবি/আয়শা/০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,/বিকাল ৪:০৮