বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে নেপালের সহায়তা চান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান, নিহত ৫ সন্ত্রাসী মাটিরাঙ্গায় গুচ্ছগ্রামের রেশন এর চাল ও গম জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা। বিভাগীয় সদরগুলোতে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব স্থাপন করা হবে সর্বকালের সেরা কে, জানালেন বিশ্বকাপজয়ী তারকা ৪৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে সোনালী ব্যাংকের সব সেবা বেনাপোলে প্রকৌশলীকে হাতুড়ি দিয়ে মারধর, মামলা দায়ের ‘যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়েছি, এখন বাড়তি সহায়তা পাওয়া উচিত’ ফুটপাতে মারধরের ভিডিও ভাইরাল: সেই যুবক আটক, পুলিশ প্রত্যাহার উপজেলা পর্যায়েও বিস্তৃত হবে সাইবার ইউনিটের কার্যক্রম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বৈশ্বিক ইন্টারনেট থেকে স্থায়ীভাবে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরিকল্পনা ইরানের

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৬ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বৈশ্বিক ইন্টারনেট থেকে স্থায়ীভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে ইরান। যাচাইবাছাইকৃত শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের ইন্টারনেট সংযোগ রাখার পরিকল্পনা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন ইরানের ডিজিটাল রাটইস অধিকারকর্মীরা।

ইরানের ইন্টারনেট সেন্সরশিপের নজরদারি করা সংস্থা ফিল্টারওয়াচ এ তথ্য জানিয়েছে বলে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান। সংস্থাটি বলেছে, “শুধুমাত্র সরকারি কাজের জন্য ইন্টারনেট রাখার একটি গোপন পরিকল্পনা চলছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এবং সরকারি মুখপাত্ররা ইতিমধ্যে জানিয়েছেন বর্তমান ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নের বিষয়টি স্থায়ী হতে যাচ্ছে। ২০২৬ সালের পর অবাধ ইন্টারনেট সংযোগ হয়ত আর থাকবে না।”

ফিল্টারউইচের নেতা আমির রশিদি বলেছেন, এই পরিকল্পনা অনুযায়ী যেসব ইরানির কাছে ক্লিয়ারেন্স থাকবে অথবা সরকারিভাবে চেক করা হবে, শুধুমাত্র তাদের কাছেই ফিল্টারকৃত বৈশ্বিক ইন্টারনেট সংযোগ থাকবে।অপরদিকে বাকি ইরানিদের জন্য শুধুমাত্র জাতীয় ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। সরকার বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর গত ৭ জানুয়ারি সারাদেশে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় ইরান সরকার। যা এখন পর্যন্ত বিচ্ছিন্নই আছে।

নির্বাসিত শেষ শাহ শাসকের ছেলে রেজা পাহলভির আহ্বানে গত ৭ ও ৮ জানুয়ারি সারাদেশে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করেন ইরানিরা। এরআগে বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। এ দুদিন বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা ও মসজিদে আগুন দেন। ফলে দেশটির নিরাপত্তাবাহিনী কঠোর অবস্থান নেয়। এতে করে হাজার হাজার মানুষ নিহত হন। ইন্টারনেট না থাকায় প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা এখনো প্রকাশ পাচ্ছে না। তবে গতকাল সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি স্বীকার করেছেন বিক্ষোভে কয়েক হাজার মানুষ মারা গেছেন। এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েলকে দায়ী করেছেন তিনি।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

কিউএনবি/আয়শা/১৮ জানুয়ারী ২০২৬,/দুপুর ১:৩৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit