স্পোর্টস ডেস্ক : সেঞ্চুরিয়নে এই ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছিল প্রিটোরিয়া ক্যাপিটালস। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭৬ রান সংগ্রহ করে মহারাজের দল। ওপেনার কনর এস্থারহুইজেন ৩৩ বলে ৬ চার ও ২ ছক্কায় সর্বোচ্চ ৫২ রান করেন। ছয়ে নেমে শেরফানে রাদারফোর্ড ২২ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় ৪৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। এছাড়া উইহান লুবে ১৯ বলে ২১ ও ব্রেস পারসনস ১৫ বলে ১৮ রান করেন।
ইস্টার্ন কেপের পক্ষে ৪ ওভারে ৩২ রানের বিনিময়ে আনরিখ নরকিয়া ৩টি ও অ্যাডাম মিলনে ৩৬ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া লুথো সিম্পালা ও লুইস গ্রেগরি ১টি করে উইকেট শিকার করেন। জবাবে মাত্র ১৪.২ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ইস্টার্ন কেপ। ডি কক ৪১ বলে ৫ চার ও ৬ ছক্কায় ৭৯ রান করে ম্যাচসেরা হন। বেয়ারস্টো ৪৫ বলে ৮ চার ও ৬ ছক্কায় ৮৫ রান করেন।
তবে, ম্যাচের ১২তম ওভারের আগে ইস্টার্ন কেপের জয় এতো দ্রুত হবে তা ঠাহর করা যায়নি। ১১ ওভার শেষে তাদের সংগ্রহ ছিল ১১৬ রান। ডি কক ৩২ বলে ৫৮ এবং বেয়ারস্টো ৩৪ বলে ৪৫ রানে ব্যাট করছিলেন। কিন্তু প্রিটোরিয়া অধিনায়ক মহারাজ ১২তম ওভারে বল হাতে তুলে নিয়ে ম্যাচের পরিস্থিতি বদলে যায়।
মহারাজের ওভারে ঝড় তোলেন বেয়ারস্টো। সেই ওভারের প্রথম তিন বলেই বিশাল তিনটি ছক্কা হাঁকান এই ইংলিশ ব্যাটার। চার নম্বর বলে স্লগ সুইপ করে ডি মিড উইকেট দিয়ে মারেন চার। পাঁচ ও ছয় নম্বর বলে আরও দুই ছক্কা। মহারাজের এক ওভারে ৫ ছক্কা ও ১ চারে বেয়ারস্টো তোলেন ৩৪ রান! এসএ টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে ব্যয়বহুল ওভার।
অথচ এই ওভারের আগে বেশ ভালো বলই করেছিলেন মহারাজ। আগের ২ ওভারে দিয়েছিলেন মোটে ১৬ রান, আর হজম করেছিলেন একটি মাত্র চার। অথচ তৃতীয় ওভার শেষে তার বোলিং ফিগার দাঁড়ায় ৩-৫০-০! এটি ম্যাচের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বোলিং ফিগার।
এই জয়ে ৫ ম্যাচ শেষে ৩ জয় ও ১ হারে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠেছে সানরাইজার্স ইস্টার্ন কেপ। প্রিটোরিয়া ক্যাপিটালস ৫ ম্যাচে মাত্র ১ জয় ৩ হারে ৭ পয়েন্ট নিয়ে ছয় দলের মধ্যে ৫ নম্বরে।
কিউএনবি/আয়শা/৬ জানুয়ারী ২০২৬,/বিকাল ৪:৩০