আমলকী কী চুলের জন্য আসলেই ভালো?
আমলকীতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। ভিটামিন সি মাথার ত্বকে কোলাজেন উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে, যা চুলের গোড়া মজবুত করে। আমলকীর অ্যান্টি- অক্সিডেন্ট গুণ চুলের ফলিকলকে ফ্রি র্যা ডিক্যালের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। নিয়মিত আমলকী ব্যবহার করলে অকালপক্কতা কমে, চুল ঘন ও উজ্জ্বল হয় এবং স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। চুলকে ভেতর থেকে মজবুত করতেও ভূমিকা রাখে আমলকী।
কারিপাতা কেন ভালো?
কারিপাতায় রয়েছে বিটা-ক্যারোটিন, অ্যামাইনো অ্যাসিড, আয়রন ও ভিটামিন বি। এসব উপাদান চুল পড়া কমাতে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। কারিপাতা চুলের গোড়া শক্তিশালী করে এবং স্ক্যাল্পে প্রাকৃতিক তেল নিঃসরণ বজায় রাখে। বিশেষ করে শীতে মাথার ত্বকের শুষ্কতা ও খুশকি দূর করতে কারিপাতা উপকারী।
আমলকী ও কারিপাতা একসঙ্গে যেভাবে কাজ করে
আমলকী চুলের গোড়ায় পুষ্টি পোঁছাতে সাহায্য করে। আর কারিপাতা সেই পুষ্টিকে ধরে রাখতে সাহায্য করে। এই দুই উপাদান একসঙ্গে ব্যবহার করলে স্ক্যাল্পের রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, চুলের ফলিকল সক্রিয় হয় এবং চুলের গ্রোথ সাইকেল উন্নত হয়। পাশাপাশি চুল পড়া কমে ও চুল হয় ঘন ও মজবুত।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
আমলকী ও কারি পাতা তেল
১০–১২টি কারি পাতা ও ২টি আমলকী কুচি করে নারকেল তেলে ফুটিয়ে নিন। তেল ঠান্ডা হলে সপ্তাহে ২–৩ দিন হালকা গরম করে স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করুন। সারা রাত রেখে সকালে ধুয়ে ফেলুন।
হেয়ার মাস্ক
আমলকী গুঁড়ো ও কারিপাতার পেস্ট মিশিয়ে তাতে সামান্য দই যোগ করুন। এবার ওই মিশ্রণ স্ক্যাল্পে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্ক শীতে শুষ্ক স্ক্যাল্পে দারুণ কাজ করে।
ডায়েটে যোগ করুন
আমলকী ও কারিপাতা ডায়েটে যোগ করতে পারেন। ফলে চুল ভেতর থেকেও পুষ্টি পাবে। এছাড়া প্রতিদিনের খাবারে কারিপাতা যোগ করুন। প্রতিদিন আমলকীর রস বা ১-২টি করে আমলকী খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার চেষ্টা করুন।