
সংগঠনের সভাপতি ডেন্টিস্ট খালেদ বিন ফিরোজ বলেন, “থার্টি ফার্স্ট নাইট অনেকের কাছে উৎসবের রাত হলেও আমাদের কাছে এটি আত্মজিজ্ঞাসা ও দায়িত্ববোধের সময়। যখন সমাজের একাংশ আনন্দে মেতে ওঠে, তখন আরেক অংশ খোলা আকাশের নিচে শীতে কাঁপে। আমরা বিশ্বাস করি এই রাতটি আনন্দের পাশাপাশি মানবতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ারও উপযুক্ত সময়। সেই বিশ্বাস থেকেই ‘রূপসী নওগাঁ’ শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “মানবিক কাজ কোনো বিশেষ দিনের জন্য সীমাবদ্ধ নয়। তবে থার্টি ফার্স্ট নাইটে এমন উদ্যোগ সমাজকে ভিন্নভাবে ভাবতে শেখায় আতশবাজির আলো ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু মানবতার আলো দীর্ঘস্থায়ী।”
সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সাজু রহমান (সুজন) বলেন, “আমাদের সংগঠনের প্রতিটি কার্যক্রমের মূল শক্তি হলো মানবিক দায়বদ্ধতা। থার্টি ফার্স্ট নাইটকে কেন্দ্র করে আমরা আনন্দ উদযাপনের পরিবর্তে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বিগত দিনের মতো ভবিষ্যতেও ‘রূপসী নওগাঁ’ নওগাঁর প্রতিটি অসহায় মানুষের জন্য নির্ভরতার প্রতীক হয়ে থাকতে চায়।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘রূপসী নওগাঁ’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ডেন্টিস্ট খালেদ বিন ফিরোজ, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সাজু রহমান সুজন, সহ সাধারণ-সম্পাদক জাহিদ হাসান সাদ্দাম, সদস্য আঃ মজিদ, সাঈদ জোবায়েদ অনিক, সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার সাদেকিন ইসলাম, মোঃ ইউনুস আলী, মাওলানা নাসিরুদ্দিন সাদ, আজিজুল হক রাজাসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীরা।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, থার্টি ফার্স্ট নাইটকে মানবিক দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে উদযাপন করার এই উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে এবং তরুণ সমাজকে অনুপ্রাণিত করবে। উল্লেখ্য, ‘রূপসী নওগাঁ’ ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু করে। গরীব শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিনামূল্যে বিতরণ ও শিক্ষাদান কর্মসূচী, পথ শিশুদের মাঝে খাদ্য বিতরণ, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা, বেওয়ারিশ লাশ দাফন ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদান রেখে চলেছে।
কিউএনবি/আয়শা/০১ জানুয়ারী ২০২৬,/দুপুর ১:১৪