শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৯ অপরাহ্ন

বড়পুকুরিয়ায় কয়লার দাম কমানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন 

মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ পার্বতীপুর দিনাজপুর প্রতিনিধি । 
  • Update Time : সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৭৫ Time View
মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ পার্বতীপুর দিনাজপুর প্রতিনিধি : দেশের একমাত্র লাভজনক ২০০৫ সাল হতে বাণিজ্যিকভাবে বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি হতে কয়লা উত্তোলন শুরু হয় শুরু হতে বর্তমান পর্যন্ত সুনামের সাথে পরিচালিত হয়ে আসছে, এরে ধারাবাহিকতায় বিগত কয়েক বছর যাবত দেশের সেরা করদাতা ২৫ সাল হতে এ পর্যন্ত ভ্যাট ট্যাক্স রয়ালিটি কাস্টম রাজস্ব বাবদ ৫,৫০০,০০ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করা হয়েছে, এক কথায় বলা যায় উত্তর  অঞ্চলে সরকারের রাজস্ব আয়ের একমাত্র  বড় প্রতিষ্টান বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান যখন লোকসানের ঝুঁকিতে তখন আমাদের এই গর্বের বড়পুকুরিয়া খনি লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। অতীতে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কয়লা স্থানীয় ইটভাটা সহ বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হলেও একক সিদ্ধান্তে বর্তমানে কেবল তাপবিদ্যুৎ  কেন্দ্রের সরবর করা হয় দীর্ঘদিন ধরে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় কয়লা ব্যবহৃত হচ্ছে না আগের মত ফলস্বরূপ কেবল কোল ইয়ারে ধারণ ক্ষমতা ২.২০ লক্ষ মেট্রিক টন এর বিপরীতে ৫ লক্ষ মেট্রিক টন স্তুপ হয়ে আছে কিন্তু বর্তমানে প্রায় ৫০ ফুটের বেশি উচ্চতায় কয়লা জমে রাখার ফলে পাহাড়ের মতো ধ্বসে হয়ে ধসে পড়ছে যা বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙ্গে হাইওয়ে সড়ক বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে এদিকে পিডিবি কয়লা সরবরাহ করতে পারছে না অন্যদিকে ডাম্পিং ও ইন্ডাস্ট্রিয়ালে ব্যাপক চাহিদা থাকা সত্ত্বেও তাদের কাছে কয়লা বিক্রির অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। 

বড় পুকুরিয়া কয়লা খনির কয়লা উৎপাদন ব্যয় পুর্তি টন ১৭৬ ডলার পিডিবি কয়লা খনিকে ৯১ থেকে ১০৭ ডলার করে মূল্য পরিশোধ করায় বিপুল লোকসানেন সম্মুখীন হচ্ছে। বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ থাকায় আড়াল করেই খনি বন্ধের প্রক্রিয়া জোরদার করা হচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য জানান নেতৃবৃন্দ। যৌক্তিক মূল্য হ্রাস কয়লার খনির একমাত্র গ্রাহক এবং ক্রেতা পিডিবি।এই কয়লা খোলা বাজারের মূল্য যেখানে ২০০ ডলারের উপরে সেখানে গ্রাহকের স্বার্থ বিবেচনা করে অযৌক্তিকভাবে  কয়লার মূল্য ১৭৬ ডলার থেকে হেরাস করে ৯১/১০৭ ডলারের বিল প্রদান করছে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এতে করে কয়লা খনিটি আর লাভজনক থাকতে পারবেনা এবং লোকসানে অজুহাতে এটি বন্ধ করে দেওয়া হবে। ফলে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে জড়িত প্রায় 20 থেকে 25 হাজার পরিবার তাদের জীবিকা হারানোর সংখ্যা পড়েছে। 

ছয় দফা দাবি গুলোর মধ্যে হচ্ছে ৯১/১০৭ বিক্রয়ের পরিবর্তে লোকাল মার্কেটে 200 ডলারের বেশি দামে বিক্রয় সম্ভব তাই বড়পুকুরিয়া কয়লা লোকাল মার্কেটে বিক্রয় করা হোক, লোকাল মার্কেটে কয়লা বিক্রয় এর মূল্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে পিডিবির কয়লার মধ্যে মূল্য নির্ধারণ করা হবে, বড়পুকুরিয়া খনির কোল ইয়াড বিদ্যুতের লোক দিয়ে চালানো যাবে না, অযৌক্তিকভাবে কয়লার দাম কমিয়ে খনি বন্ধ সংক্রান্ত বন্ধ করা হোক, খনি আমাদের রুটি রুজি তাই কয়লার দাম নির্ধারণে আমাদের মতামত নিতে হবে,  এই খনিটি আদমজী পাটকলের মত লস প্রজেক্ট হবে না, অন্যান্য যৌক্তিক সুবিধা বাড়াতে হবে।

এ সময় বক্তব্য রাখেন  বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ আবুল কাশেম শিকদার, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বড়পুকুরিয়া শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি রাহেনুল ইসলাম  এবং সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম  সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। 

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২২ ডিসেম্বর ২০২৫,/বিকাল ৫:৪৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit