শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করতে চান শেখ হাসিনা: রাজনীতিতে এক চালবাজি ঘোষণা মাত্র রাত ১টার মধ্যে ১৭ জেলায় অতিভারী বৃষ্টির আভাস খামেনির হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার ইরানের চট্টগ্রামের বন্যা উন্নতির পূর্বাভাস, সিলেট-রংপুরে শঙ্কা চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ পদক্ষেপ খামেনির জানাজা-দাফন প্রক্রিয়ায় অংশ নেন ৪ কোটিরও বেশি মানুষ ১৩ উপজেলায় নতুন হাসপাতাল অনুমোদন মিরপুর-১০ মেট্রো স্টেশন এলাকায় অবৈধ দখল উচ্ছেদে অভিযান পাকিস্তানে পিপিপি নেতার বাড়িতে আত্মঘাতী হামলায় ১৭ জনের প্রাণহানি

দুর্গাপুর মুক্ত দিবস পালিত

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৯৭ Time View

তোবারক হোসেন খোকন দুর্গাপুর(নেত্রকোণা)প্রতিনিধি : ৬ ডিসেম্বর দুর্গাপুর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সনের এই দিনে বাংলার দামাল ছেলেদের এক রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে নেত্রকোণার সীমান্তবর্তী দুর্গাপুর উপজেলাকে মুক্ত করেছিলেন। এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে, সর্বস্তরের অংশগ্রহনে নানা কর্মসুচীর মাধ্যমে এ দিবস পালিত হয়।

এ উপলক্ষে সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে সর্বস্তরের অংশগ্রহনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে পায়রা উড়িয়ে দিবসের সুচনা করা হয়। পরবর্তিতে এক বর্নাঢ্য র‌্যালি পৌরশহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বৃক্ষরোপন এবং উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা আফসানা এর সভাপতিত্বে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মুহাম্মদ নাসির উদ্দিন‘র সঞ্চালনায় পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ শেষে অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বিকাশ সরকার, সাখাওয়াত হোসেন সজিব, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন তালুকদার, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ, সিপিবি সভাপতি আলকাছ উদ্দীন মীর, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এডভোকেট এম এ জিন্নাহ্ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীগণ। বক্তারা বলেন, পাকিস্তানি মেজর সুলতানের নেতৃত্বে বিরিশিরিতে একটি শক্তিশালী পাকসেনা ঘাঁটি গড়ে উঠেছিল। এখান থেকেই বাংলার কুখ্যাত দালাল, আলবদর, রাজাকারদের সহযোগিতায় নিয়ন্ত্রন করতো দুর্গাপুর ও কলমাকান্দার সীমান্ত এলাকা গুলো। সেইসাথে ওই এলাকার বুদ্ধিজীবিদের ধরে এনে রাতের আঁধারে বিরিশিরি‘র বধ্যভূমিতে নৃশংসভাবে হত্যা করা করতো।

এদের মধ্যে সর্বপ্রথম যাদের হত্যা করা হয়েছিল, তাদের মধ্যে নেত্রকোনা সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক শহীদ আরজ আলী, এমকেসিএম পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল আওয়াল, দুর্গাপুরের তদানিন্তন এমএনএ গৌরাঙ্গ চন্দ্র সাহা, কুল্লাগড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আলী হোসেন, শিক্ষক আশুতোষ সান্যাল, কাকৈরগড়া ইউনিয়নের শিক্ষক জালাল উদ্দিন তালুকদার, সমাজসেবক ধীরেন্দ্র নাথ পত্রনবীশ, সুসং ডিগ্রি কলেজের ছাত্র দিলদার হোসেন, বিল্লাল হোসেন, কৃষক ইমাম হোসেন ও ছোট্রনী সহ নাম অজানা অনেককেই। এছাড়া গাঁওকান্দিয়া গ্রামে ১৯ জন মুক্তিযোদ্ধাকে এক সাথে গুলি করে হত্যা করেছিলো পাকসেনারা। নতুন প্রজন্মের কাছে এসকল তথ্যগুলো জানাতে সকলকে অনুরোধ জানানো হয়।

 

 

 

কিউএনবি/খোরশেদ/০৭ ডিসেম্বর ২০২৫,/বিকাল ৫:৪০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit