আন্তর্জাতিক ডেস্ক : স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, হঠাৎ বিমান হামলা ও গোলাগুলিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। দিকভ্রান্ত হয়ে ঘরবাড়ি ছেড়ে আশপাশের গ্রামে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয় অনেক পরিবার।
এ হামলাকে সিরিয়ার সার্বভৌমত্বের “’গুরুতর এবং অগ্রহণযোগ্য লঙ্ঘন” হিসেবে অভিহিত করে নিহতদের প্রতি শোক প্রকাশ করেন রোচদি। তিনি বলেন, “এ ধরনের হামলা সিরিয়ার অস্থিতিশীল পরিস্থিতিকে আরও খারাপ অবস্থার দিকে নিয়ে যাবে।” তিনি সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব, একতা ও স্বাধীনতার প্রতি জাতিসংঘের পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন এবং এ ধরনের হামলা বন্ধের আহ্বান জানান।
সিরিয়ার সরকারি গণমাধ্যম বলছে, হামলায় যেভাবে বেসামরিক মানুষ নিশানা হয়েছে, তা “যুদ্ধাপরাধের শামিল”। ঘটনাটিকে “অপরাধমূলক আক্রমণ” বলে নিন্দা জানিয়েছে তারা। অন্যদিকে ইসরাইলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, অভিযানের সময় তাদের ছয় সেনা আহত হয়েছেন, যার মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
হামলার পর পুরো এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক মহলে এই ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কারণ, সিরিয়ার চলমান সংঘাতের মধ্যে এটি আরও একটি বড় সংকট তৈরি করতে পারে।