বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, পুলিশবাহিনী জনপ্রত্যাশিত বাহিনীতে পরিণত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্লাইটে যাত্রীর মৃত্যু, মাসকাটে আটকে আছে বিমানের বিজি-১৩৬ ফ্লাইট ইসরাইলকে স্বীকৃতির শর্তে সৌদির সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি করবেন ট্রাম্প ঈদ মোবারক! মিলাদুন্নবীর শুভেচ্ছা: নরেন্দ্র মোদি আবারও কমল বিশ্ববাজারে তেলের দাম রোনালদোর পর দ্বিতীয় পর্তুগিজ হিসেবে পিএফএ বর্ষসেরা ফার্নান্দেজ নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি: রহমানেল মাছউদ বিভেদ-প্রতিহিংসা কোনো জাতিকে শক্তিশালী করে না: রাষ্ট্রপতি রংপুরে ৪ খুনের জবানবন্দি দিলেন সীমান্ত, আসামিদের বক্তব্যের সঙ্গে মিলেছে বর্ণনা

জাতীয় পরিষদে পাস হলো সংবিধানের ২৭তম সংশোধনী বিল

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৭৬ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জিও নিউজের প্রতিবেদন মতে, আইনমন্ত্রী আজম নাজির তারার ভোটাভুটির জন্য বিলটি উপস্থাপন করেন। বিলটিতে সংবিধানের আটটি সংশোধনী আনা হয়েছে। এর মধ্যে সেনাপ্রধানের ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিচার বিভাগের সংস্কারের পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা সীমিত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

ভোটাভুটিতে বিলটির পক্ষে ভোট দেন ২৩৪ আইনপ্রণেতা। বিপক্ষে পড়ে মাত্র চারটি ভোট। ভোটাভুটির সময় বিলটির বিরোধিতা করে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) ওয়াকআউট করে। দলটির আইনপ্রণেতারা ভোটাভুটিতে অংশ নেননি।
 
কয়েকটি বিরোধী দল বিলের কপি ছিঁড়ে ফেলে। বিরোধীরা বলছেন, এই পদক্ষেপ দেশের গণতন্ত্রের অপূরণীয় ক্ষতি করেছে। জমিয়তে উলেমা-ই-ইসলাম-ফজল (জেইউআই-এফ) এর চার সদস্য, যারা একসময় ক্ষমতাসীন পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) এর ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিল, তারা সংশোধনীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন।
 
জাতীয় পরিষদে বিলটি পাস হওয়ায় আইনপ্রণেতাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। বিলটি এখন আবারও বিতর্ক ও পর্যালোচনার জন্য সিনেটে ফেরত পাঠানো হবে এবং তারপর উচ্চকক্ষে এটি পাস হতে হবে। এরপর প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের মধ্যদিয়ে এটি আইনে পরিণত হবে।
 
এই সংশোধনীর ফলে উচ্চ আদালতের বিচারপতি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলো ছাড়াও সামরিক কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। সেনাপ্রধান আসিম মুনির এখন প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধানের নতুন পদে উন্নীত হবেন।
 
সেনাবাহিনীর পাশাপাশি নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীও সেনাপ্রধানের অধীনে থাকবে। তার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর, তার পদমর্যাদা বজায় থাকবে। সমালোচকরা বলছেন, এই পরিবর্তনের ফলে সামরিক বাহিনী এবং ক্ষমতাসীন জোটের হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হবে।
 
এই সংশোধনীর ফলে সাংবিধানিক মামলাগুলো সুপ্রিম কোর্ট থেকে একটি নতুন ফেডারেল সাংবিধানিক আদালতে স্থানান্তরিত হবে, যার নিয়োগ করবে সরকার। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সুপ্রিম কোর্ট বেশ কয়েকটি সরকারি নীতিমালা আটকে দিয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীদের ক্ষমতাচ্যুত করেছে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৩ নভেম্বর ২০২৫,/দুপুর ২:০০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit