বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বগি উদ্ধার, পৌনে ৭ ঘণ্টা পর উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ স্বাভাবিক ৫ আগস্ট জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন: পানিসম্পদ মন্ত্রী জেলের জালে ধরা পড়ল ৫৪ কেজির তবল মাছ বন্যায় পানিবন্দি মা ও পরিবার, কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিনেত্রী জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন কাল, সবার জন্য উন্মুক্ত ৬ আগস্ট বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিতে ‌‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে আইনানুগ ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা ফেসবুক-টিকটক ব্যবহার না করার শর্তে সন্তান ফিরে পেলেন কিশোরী মা সিল্কসিটি ট্রেন লাইনচ্যুত, ঢাকা-উত্তরবঙ্গ যোগাযোগ বন্ধ

সঞ্চয়পত্রের সার্ভার ব্যবহার করে হাতিয়ে নিলো গ্রাহকের ২৫ লাখ টাকা

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৭৯ Time View

ডেস্ক নিউজ : সঞ্চয়পত্রের সার্ভার ব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে অন্য গ্রাহকের নামে থাকা সঞ্চয়পত্র ভেঙে টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং জালিয়াতি ঠেকাতেও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে রাজধানীর মতিঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। বুধবার (২৯ অক্টোবর) মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। তবে গত পরশু একটি জিডি করা হয়েছে। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে এক গ্রাহক ২৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কেনেন। ওই গ্রাহকের ব্যাংক হিসাব অগ্রণী ব্যাংকের জাতীয় প্রেস ক্লাব শাখায়। কিন্তু মাত্র চারদিন পর, গত সোমবার ওই সঞ্চয়পত্র ভাঙানো হয় এবং টাকা স্থানান্তর করা হয় এনআরবিসি ব্যাংকের দিনাজপুর উপশাখার এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে। পরে সেই টাকা একই দিনে ব্যাংকটির শ্যামলী শাখা থেকে তুলে নেওয়া হয়।

একই পদ্ধতিতে একই দিনে আরও দুটি সঞ্চয়পত্র ভাঙানোর চেষ্টা করা হয়—যার একটি ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে ৩০ লাখ টাকার, অন্যটি এনআরবি ব্যাংকের মাধ্যমে ২০ লাখ টাকার। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে আসায় ওই দুটি জালিয়াতি রোধ করা সম্ভব হয়। তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৭১ কোটি টাকা। এসব সঞ্চয়পত্র বিক্রি ও ভাঙানো হয় বাংলাদেশ ব্যাংক, সরকারি-বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, সঞ্চয় অধিদপ্তর ও পোস্ট অফিসের প্রায় ১২ হাজার শাখা থেকে।

তবে এখন পর্যন্ত শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকেই এ ধরনের জালিয়াতির ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। অন্য কোনো শাখা বা প্রতিষ্ঠানে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে কি না, তা এখনো জানা যায়নি। সঞ্চয়পত্রের সার্ভার পরিচালনা করে অর্থ মন্ত্রণালয়। চিহ্নিত এ প্রতারণাগুলো সার্ভার হ্যাকের মাধ্যমে করা হয়েছে কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৯ অক্টোবর ২০২৫,/রাত ১১:১৯

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit