মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বাফটা’র মঞ্চে ইতিহাস গড়লো ‘বুং’ মাদারীপুরে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং ঢাকা দক্ষিণের মেয়র পদে লড়াইয়ের ঘোষণা প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের হাইকোর্টের ২ বিচারপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি পদে আলোচনার শীর্ষে আফরোজা খন্দকার নিপু সাহরিতে খাবারের তালিকায় যেসব রাখবেন পুলিশের শীর্ষ পদে আলোচনাঃ আইজিপি পদে আলী হোসেন ফকির আলোচনার শীর্ষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিস্টার ফি কমানোর দাবিতে আন্দোলন বাংলাদেশিদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেন শিলিগুঁড়ির হোটেল মালিকরা ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের

বাবা-ভাইকে নজরদারি ও বন্দি করে সৌদির মসনদে মোহাম্মদ বিন সালমান

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪৫ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মাত্র নয় বছর আগে মোহাম্মদ বিন সালমানের নাম সৌদি আরবের রাজনীতিতে কেউ শোনেনি। তার সম্পর্কে খুব বেশি কিছু জানতেনও না কেউ। প্রথমে ছিলেন ডেপুটি ক্রাউন প্রিন্স এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এরপর ক্ষমতার ব্যবহার করে শুরু করলেন নিজ পিতা বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আযিয কে নজরে রাখতে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ক্ষমতার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেন মোহাম্মদ বিন সালমান। দেশজুড়ে এমবিএস নামে পরিচিত মোহাম্মদ বিন সালমান সক্রিয় ও নিষ্ঠুর কৌশলের মাধ্যমে হয়ে ওঠেন ক্ষমতা কেন্দ্রীকরণের গল্পকার।

সুযোগ পেয়ে এমবিএস তার বাবাকে পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের থেকে আলাদা করে ফেলেন। এমনকি মা এবং দুই বোনকে গৃহবন্দি করেন এবং বাবাকে এ সম্পর্কে ঘুণাক্ষরেও কিছু টের পেতে দেননি। বাদশাহ নিজের স্ত্রীর কথা জিজ্ঞেস করলেই বলা হতো চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো হয়েছে তাকে।

২০১৫ সালে মোহাম্মদ বিন সালমানের পিতা সালমান বিন আব্দুল আযিয সৌদি আরবের বাদশাহ হিসেবে দায়িত্ব নেন, তখন তার বয়স ছিল ৭৯ বছর। বাদশাহ সালমান তখন তার ভাতিজা মোহাম্মদ বিন নায়েফকে ক্রাউন প্রিন্স এবং মোহাম্মদ বিন সালমানকে ডেপুটি ক্রাউন প্রিন্স নিযুক্ত করেন। যা ছিল বড় ধরনের রাজনৈতিক খেলা। সেই চক্রেই নতুন খেলা শুরু করেন এমবিএস।  

২০১৭ সালে মোহাম্মদ বিন নায়েফকে চাপ দিয়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে তাকে গৃহবন্দী করা হয় এবং তার নিরাপত্তা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ কেড়ে নেওয়া হয়। এরপর নিজে ক্রাউন প্রিন্স হন মোহাম্মদ বিন সালমান। একই সালে শতাধিক প্রভাবশালী রাজপুত্র, মন্ত্রী এবং ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার ও আটক করেন তিনি। শুধু পদবী পাওয়া নয়, এমবিএস তার ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী ও নিরঙ্কুশ করার জন্য একাধিক কৌশল অবলম্বন করেন। 

সৌদি আরব বিষয়ক বিশেষজ্ঞদের মতে ‘শুরা’ ও জ্যেষ্ঠ প্রিন্সদের সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঐতিহ্যে বিরাম টেনে নিজেকে এক এবং একমাত্র শাসক হিসেবে তুলে ধরেছেন তিনি। যে সিদ্ধান্ত সৌদি রাজপরিবারের ঐক্যের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকির বলে মনে করেন তিনি। 

মসনদে টিকে থাকার কৌশল হিসেবে ভিশন ২০৩০ নামে একটি উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংস্কার পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন তিনি। মূল লক্ষ্য তেলের উপর নির্ভরতা কমিয়ে অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করা এবং সমাজকে আধুনিকীকরণ করা। যা তাকে পশ্চিমা এবং তরুণ সৌদি জনগণের কাছে প্রগতিশীল, সংস্কারক নেতা হিসেবে উপস্থাপন করে। আর এভাবেই ধীরে ধীরে হয়ে উঠেছেন মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী ক্ষমতাধর নেতা। 

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, /সন্ধ্যা ৭:৫৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

February 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit