মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বাফটা’র মঞ্চে ইতিহাস গড়লো ‘বুং’ মাদারীপুরে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং ঢাকা দক্ষিণের মেয়র পদে লড়াইয়ের ঘোষণা প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের হাইকোর্টের ২ বিচারপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি পদে আলোচনার শীর্ষে আফরোজা খন্দকার নিপু সাহরিতে খাবারের তালিকায় যেসব রাখবেন পুলিশের শীর্ষ পদে আলোচনাঃ আইজিপি পদে আলী হোসেন ফকির আলোচনার শীর্ষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিস্টার ফি কমানোর দাবিতে আন্দোলন বাংলাদেশিদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেন শিলিগুঁড়ির হোটেল মালিকরা ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের

ইরানের ভয়ঙ্কর সেই ড্রোন নিয়ে গবেষণা করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ১১৬ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  শাহেদ-১৩৬। এটি ইরানের বহুল আলোচিত আত্মঘাতী ড্রোন, যা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে এক ভয়ঙ্কর অস্ত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।  এবার এই ড্রোনের অনুলিপি সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে মার্কিন বিমান বাহিনী। 

পেন্টাগনের মালিকানাধীন সংবাদপত্র স্টারস অ্যান্ড স্ট্রাইপস জানিয়েছে, মূলত অধ্যয়ন ও প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

ফেডারেল নথি অনুযায়ী, বিমান বাহিনী প্রাথমিকভাবে শাহেদ-১৩৬ এর ১৬টি অনুলিপি চাইছে, ভবিষ্যতে আরও ২০টি সংগ্রহের বিকল্পও রাখা হয়েছে। প্রতিপক্ষ দেশগুলো যে ধরনের ড্রোন ব্যবহার করছে, সেগুলো মোকাবিলায় মার্কিন বাহিনীকে প্রস্তুত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শাহেদ ড্রোনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো—এগুলো ধীর গতিতে নিচু উচ্চতায় উড়ে, ফলে রাডারে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্কিন বাহিনী এ ধরনের হুমকি প্রতিহত ও ধ্বংস করার অনুশীলনের জন্যই এসব কপি ব্যবহার করবে।

শাহেদ-১৩৬ প্রথম প্রকাশ্যে আসে ২০২১ সালে ইরানের এক সামরিক মহড়ায়। এর সাশ্রয়ী মূল্য, ঝাঁক কৌশল এবং আন্তর্জাতিক রফতানি এটিকে অসম যুদ্ধের এক গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার করে তুলেছে। বিশেষত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে এটি আবির্ভূত হয়েছে ‘গেম-চেঞ্জার’ হিসেবে।

এই ড্রোনটি একটি ডেল্টা-উইং, পুশার-চালিত সিস্টেম, যা ৫০ কিলোগ্রামের ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম। প্রায় ১৮৫ কিমি/ঘণ্টা গতিতে এটি ২,৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত উড়তে পারে।

২০২২ সালে ইউক্রেনে আক্রমণের পর রাশিয়াকে শাহেদ ড্রোন সরবরাহ শুরু করে ইরান। পরবর্তীতে রাশিয়া দেশীয়ভাবে এসব ড্রোন তৈরি শুরু করে এবং এগুলোকে আরও দ্রুতগতির করে তোলে ও নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম দেয় জেরান (জেরানিয়াম)। রাশিয়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাশাপাশি প্রায়শই শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করে ইউক্রেনীয় বিমান প্রতিরক্ষা ভেদ করে থাকে।

যুক্তরাষ্ট্রও শাহেদের জবাব হিসেবে কাজ শুরু করেছে। জুলাই মাসে অ্যারিজোনা-ভিত্তিক স্পেকট্রওয়ার্কস সংস্থা তৈরি করে এলইউসিএএস নামে নিজস্ব কম খরচের ড্রোন, যা প্রতিরক্ষা কৌশলে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। সূত্র: স্টারস অ্যান্ড স্ট্রাইপসইরান ইন্টারন্যাশনালডিফেন্স ওয়ান

কিউএনবি/অনিমা/২৩ আগস্ট ২০২৫/রাত ১১:২১

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

February 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit