শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
এআই দিয়ে প্রয়াত অভিনেতার মুখে সংলাপ বসালেন পরিচালক বাংলাদেশের সঙ্গে পর্যটন সহযোগিতা বাড়াতে চায় ফিলিপাইন ভারতে ডিজিটাল প্রতারণার শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেবে ব্যাংক ইথিওপিয়াকে ১২ যুদ্ধবিমান ও চার এস-৪০০ দিচ্ছে রাশিয়া, নেপথ্যে কী? এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের স্থান পরিবর্তন চ্যাটজিপিটির পরামর্শে ওষুধের মাত্রা কমিয়ে রোগীর মৃত্যু, ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা এলপিজি বিক্রির কমিশন দুই থেকে তিনগুণ বাড়ানোর প্রস্তাব সারেনি বিমানের ত্রুটি, বিমান থেকে নামলেন প্রধানমন্ত্রী শেষ হচ্ছে গঙ্গা চুক্তি, ভাগ্য বদলাবে কি নবায়ন চুক্তিতে? পর্যটনে এআই ও টেকসই গন্তব্যের বার্তা নিয়ে ঢাকায় বিটিটিএফ শুরু

আখেরি চাহার শোম্বাহ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫
  • ৭৯ Time View
মুমিনের আনন্দ ও বেদনার দিবস: মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল বাছিত খান
আহমদ বিলাল খান ”পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বাহ শরীফ উপলক্ষ্যে আস সালীম ফাউন্ডেশনের সার্বিক সহযোগিতায় যথাযথ সম্মানের সহিত রাঙ্গামাটিতে বিশেষ মাহফিল ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২০ আগস্ট) বাদ আছর রাঙ্গামাটি পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের হাজী ধনমিয়া পাহাড় জমে মসজিদে এই মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আখেরি চাহার শোম্বাহ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আস সালীম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও হাজী ধনমিয়া পাহাড় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল বাছিত খান। এ ছাড়া মাহফিলে এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লীরা উপস্থিত ছিলেন।
মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল বাছিত খান বলেন, পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বাহ শরীফ মুমিনের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও বেদনার দিবস। সম্মানিত দ্বিন-ইসলামের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবি মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ (স.)-এর জীবনে এ দিনটি বিশেষভাবে স্মরণীয়। ফারসি ভাষায় ‘আখের’ অর্থ শেষ, আর ‘চাহার শোম্বা’ অর্থ বুধবার। অর্থাৎ হিজরি সনের সফর মাসের শেষ বুধবারকেই আখেরি চাহার শোম্বা বলা হয়। এ দিনে নবিজি (স.) শেষ বারের মতো রোগ থেকে মুক্ত হয়ে আল্লাহর শোকর আদায় করেছিলেন বলে প্রতি বছর মুসলমানরা শুকরিয়ার দিবস হিসেবে দিনটি পালন করে থাকেন।
তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (স.)কে পূর্ণ সুস্থ দেখে হযরত সাহাবায়ে কেরাম (রা.) খুবই আনন্দিত হন, প্রত্যেকে নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী দান-সাদকা করেন। হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.) তৎকালীন সময়ে ৫ হাজার দিনার গরিবদের দান করে দেন। হযরত উমার ফারুক (রা.) ৭ হাজার দিনার সাদকাহ্ করেন। হযরত ওসমান গনি (রা.) করেছিলেন ১০ হাজার দিনার। হযরত আলি (রা.) দান করেছিলেন ৩ হাজার দিনার। আর সাহাবী হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ (রা.) এই খুশির সংবাদে ১০০ উট আল্লাহর রাস্তায় দান করেন। এ থেকে আমরা শিক্ষা পেতে পারি, নবির প্রতি সাহাবিদের ভালোবাসা কেমন ছিল। এক কথায় বলা যায়, নবি (স.)-এর প্রতি তাদের ভালোবাসা ছিল নিখাদ ও অতুলনীয়। উনারা নবিজির জন্য নিজের জীবন কুরবান করতে পর্যন্ত দ্বিধা করেননি।

তিনি আরো বলেন, প্রিয় নবিজী (স.)-এর প্রিয় উম্মতের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে— জীবনের সবকিছুর চেয়ে যেন আমরা নবিজিকে ভালোবাসি, উনার দেখানো পথে নিজেদের জীবন সাজাই। যেহেতু নবি (স.)-এর রোগমুক্তির দিনটি ছিল সমগ্র জগতের জন্য খুশির দিন, তাই এ দিনে আল্লাহর কাছে আমাদের ফরিয়াদ থাকবে, তিনি যেন যাবতীয় অকল্যাণ থেকে দূরে রেখে আমাদেরকে সুস্থ ও সুস্বাস্থ্যের সুন্দর জীবন দান করেন। আমিন!

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২০ আগস্ট ২০২৫/রাত ১০:১২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit