মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান’র আগমন উপলক্ষে শার্শা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যেগে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত আজকের মুদ্রার রেট: ২০ এপ্রিল ২০২৬ যিশুর মূর্তি ভাঙচুর ইসরাইলি সেনার, বিশ্বজুড়ে তোলপাড় শেষ ওয়ানডের দলে ফিরলেন তানজিম পাকিস্তানের ঘাঁটিতে নামল ৬ মার্কিন সামরিক বিমান সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পাননি শোবিজ তারকারা যে কারাগারে খালেদা জিয়ার শরীরে ধীরে ধীরে বিষ দেওয়া হয় মৌসুম শেষে নাপোলি ছাড়ছেন রোমেলু লুকাকু এসএসসি পরীক্ষা শুরু মঙ্গলবার, পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে ১৪ নির্দেশনা আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী

কাজে আসছে না কোটি টাকার নৌ অ্যাম্বুলেন্স

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫
  • ৭৩ Time View

নিউজ ডেক্সঃ  স্বাস্থ্যসেবা একজন নাগরিকের মৌলিক অধিকার। সেই অধিকার থেকে যুগের পর যুগ বঞ্চিত রয়েছে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার সাত লাখ মানুষ। এই আধুনিক যুগে এসেও যাতায়াত ব্যবস্থার কারণে প্রতিনিয়ত পথেই জীবন দিতে হচ্ছে অন্তঃসত্ত্বা মা, শিশু, হৃদরোগসহ জটিল ও দুর্ঘটনার শিকার রোগীদের।

নদী পারাপারে কোটি টাকা মূল্যের দুটি নৌ অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও দীর্ঘসময় কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও সঠিক তদারকির অভাবে বিকল হয়ে পড়ে আছে নদীর পাড়ে। ফলে প্রতিনিয়ত রোগী নিয়ে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় সেবাপ্রত্যাশীরা।

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া। দ্বীপের মানুষের স্বাস্থ্য সেবায় রয়েছে নামে মাত্র ৫০ শয্যা বিশিষ্ট একটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ডাক্তার-নার্স সংকটসহ আধুনিক কোনো সুযোগ-সুবিধা না থাকায় প্রতিমাসে ৬০ থেকে ৭০ জন রোগীকে জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হচ্ছে। এ ছাড়াও নিজেদের উদ্যোগে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদরে যান আরও শতাধিক রোগী। নৌ অ্যাম্বুলেন্স বা উন্নত যানবাহন না থাকায় বাধ্য হয়ে ছোট ছোট কাঠের নৌকা স্পিডবোটে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাড়ি দিতে হয় উত্তাল মেঘনা। অনেক সময় ঘাটে এবং নদীতে ঘটে যায় ডেলিভারিসহ অনেক প্রাণহানির ঘটনা।

রোগীদের ভোগান্তি লাঘবে ২০১৯ সালে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে হাতিয়ার জন্য একটি নৌ অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হয়। কিছুদিন চলার পর সেটি বিকল হয়ে নদীর তীরবর্তী একটি পুকুরে ডুবে আছে। ২০২২ সালে জাপানি সংস্থা জাইকার মাধ্যমে একটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হয়। প্রথম বছর খুব ভালো সেবা দিয়েছিল অ্যাম্বুলেন্সটি। কিন্তু সরকারিভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত চালক, জ্বালানি তেলের সঙ্কট ও রক্ষাণাবেক্ষণের জন্য বাজেট বরাদ্ধ না থাকায় অযত্নে দুই বছর ধরে নদীর তীরে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন যন্ত্রাংশে মরিচা ধরেছে। ফলে কোটি টাকা মূল্যের দুটি নৌ অ্যাম্বুলেন্স প্রকৃত পক্ষে কোনো কাজেই আসছে না দ্বীপের অসহায় স্বাস্থ্যসেবা প্রত্যাশীদের। নলচিরা ঘাটের প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, নৌকা বা স্পিডবোটের জন্য অপেক্ষা করতে করতে ঘাটে অনেক রোগীর ডেলিভারি হয়ে গেছে। নদী পার হওয়ার সময় অনেক রোগী মারা যায়। যদি নৌ অ্যাম্বুলেন্স থাকত তাহলে হয়তো এই রোগীকে দ্রুত জেলা সদর হাসপাতালে নিতে পারলে বাঁচানো যেত।

অনলাইন নিউজ ডেক্সঃ
কুইক এন ভি/রাজ/১৯ আগস্ট ২০২৫/দুপুরঃ ০২.১৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit