বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪৮ অপরাহ্ন

প্রায় ১৮৫ বছরের সংরক্ষিত বনমহিষের শিং পাহাড়পুর যাদুঘরে প্রদান

সজিব হোসেন ,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি ।
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫
  • ৮৭ Time View

সজিব হোসেন ,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি : প্রায় ১৮৫ বছরের সংরক্ষিত একটি বনমহিষের শিংসহ মাথার করোটি নওগাঁ পাহাড়পুর (সোমপুর) বৌদ্ধ বিহার যাদুঘরে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে নওগাঁ শহরের কালিতলা মহল্লার অধ্যাপক (অবঃ) মোঃ ফজলুল হক নওগাঁর পাহাড়পুর যাদুঘরের কোস্টোডিয়ান মুহাম্মদ ফজলুল করিমের নিকট করোটিটি হস্তান্তর করেন।

অধ্যাপক (অবঃ) মোঃ ফজলুল হক জানান, নওগাঁর দুবলহাটীর রাজা রায় বাহাদুর হরনাথ রায় চৌধুরী সিলেটে জমিদারী ক্রয় করার পর তিনি তাঁর বিস্তৃত জমিদারী পরিদর্শন করার জন্য সিলেট যান। সেখানে তিনি অন্যান্য প্রাণীর সাথে একটি বনমহিষ শিকার করেন।সিলেটে কিছুদিন থাকার পর তিনি দুবলহাটী রাজ প্রাসাদে ফিরে আসার সময় শিকার করা বিভিন্ন প্রাণীর মাথার করোটি সাথে নিয়ে আসেন।সাথে নিয়ে আসেন এই বনমহিষটির মাথার করোটিও। পরবর্তিতে ১৮৯১ ইং সালে তিনি প্রয়াত হলে তাঁর স্থলে তাঁর পুত্র রাজা কৃঙ্করীনাথ রায় চৌধুরী জমিদারী প্রপ্ত হন।

দুবলহাটীর শিকারপুরের শৈলকোপা গ্রামের জোতদার সাকিম উদ্দীন শেখের সাথে রাজা কৃঙ্করীনাথ রায় চৌধুরীর ঘনিষ্ঠতা ছিল। সেই ঘনিষ্ঠতার সুবাদে রাজা কৃঙ্করীনাথ রায় চৌধুরী ১৯৩৫ সালের দিকে এই বনমহিষটির মাথার করোটি তাঁর ঘনিষ্টতম বাল্যবন্ধু সাকিম উদ্দীন শেখকে উপহার স্বরুপ দিয়েছিলেন।

সাকিম উদ্দীন শেখের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র আব্দুল গনি শেখ মহিষের মাথাটি সংরক্ষন করছিলেন।আব্দুল গনি শেখের মৃত্যর পর তাঁর পুত্র অধ্যাপক মোঃ ফজলুল হক মাথাটি তাঁর সংগ্রহে রেখেছিলেন।আজ বৃহস্পতিবার তিনি নওগাঁ ঐতিহাসিক পাহাড়পুর যাদুঘরে সংরক্ষনের জন্য কাষ্টোডিয়ান মোহাম্মদ ফজলুল করিম আরজুর নিকট করোটিটি হস্তান্তর করেন।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/৩১ জুলাই ২০২৫,/রাত ১০:৩৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit