অনলাইন নিউজ:
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে একটি স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠনে সব রাজনৈতিক দল একমত হয়েছে। এ বিষয়টিকে ঐতিহাসিক উল্লেখ করে কমিশনের সহসভাপতি ড. আলী রীয়াজ জানান, ইসির কমিশন বাছাইয়ে ৫ সদস্যের (প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলের নেতা, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার এবং প্রধান বিচারপতির প্রতিনিধি) সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হবে। বুধবার (২৩ জুলাই) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ১৭তম বৈঠক শেষে তিনি এসব তথ্য জানান। ড. আলী রীয়াজ বলেন, ইসির কমিটি গঠনে সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ কতিপয় সংশোধনেও তারা একমত। ইসি সিলেকশন কমিটি ক্ষমতাসীন সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিন আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগ দেওয়া হবে। বিএনপির সালাহউদ্দীন আহমেদ বলেন, একটি বিষয় বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বিষয়ে আলাদা কোনো প্রতিষ্ঠান রাখার পক্ষে না। কারন প্রতিটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের আলাদা আইন আছে। তাই শক্তিশালী জাতি গঠনে মনোযোগ দিয়েছে। তাই স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের পক্ষে বিএনপি। এত বছর নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক ভাবে স্বাধীন হোক কিন্তু কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে কাজ করবে না ততক্ষণ স্বাধীন না। সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ কমিটি বিষয়ে ইসি বাস্তবভাবে স্বাধীন ছিল না, সেক্ষত্রে এটা গঠনে একটি কমিটি গঠন ও সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে একমত বিএনপি। তবে অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বেলায় সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত না করার পক্ষে তারা। উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যমান আইন শক্তিশালী করতে হবে। জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মো. তাহের বলেন, ইসি গঠনে যে কমিটি হবে তাতে আমরা একমত। সংস্থাটি আগে আইন দ্বারা চলত এখন এটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে।
অনলাইন নিউজ ডেস্ক:
কিউএনবি/রাজ/২৩ জুলাই ২০২৫/বিকাল:৫.৩০