আশুলিয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাকরিচ্যুতের অভিযোগ
Reporter Name
Update Time :
শনিবার, ২২ মার্চ, ২০২৫
২১০
Time View
আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি : আশুলিয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক শ্রমিককে মারধোরের চেষ্টায় তাকে চাকরিচ্যুত করার অভিযোগ উঠেছে একটি পোশাক কারখানার এমডি ও ফ্লোর ইনচার্জের বিরুদ্ধে।শনিবার সকালে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে এবিষয়ে তথ্য দেন ভুক্তভোগী। এরআগে ২৪ শে ফেব্রুয়ারী (সোমবার) বিকালে আশুলিয়ার জিরাবো কাঠগড়া এলাকার মার্স ক্লাসিক ওয়্যার লিঃ নামের একটি কারখানায় এঘটনা ঘটে বলে ভুক্তভোগী শ্রমিকের অভিযোগ। পরে থানায় একটি অভিযোগ করেন তিনি।ভুক্তভোগী গাইবান্ধা জেলার লক্ষীপুর থানার গোবিন্দপুর গ্রামের মোঃ আশরাফ আলীর ছেলে মো: জাহাঙ্গীর আলম (৪২)। আশুলিয়ায় একটি ভাড়া বাসায় থেকে জিরবোর কাঠগড়া এলাকার মার্স ক্লাসিক ওয়্যার লিমিটেডে ৪ বছর ধরে সুইং অপারেটর পদে কাজ করতো। অভিযুক্ত ওই কারখানার এমডি মো:মোকলেছুর রহমান ও ফ্লোর ইনচার্জ মো: শফিক।
ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর অভিযোগ করে বলেন, আমি ওই কারখানায় ৪ বছর ধরে সুইং অপারেটর পদে কাজ করতাম। গত ২৪ শে ফেব্রুয়ারী রোজ সোমবার ৩ টার দিকে কাজের বিষয়ে কারখানাটির এমডি মোকলেছুর রহমান ও ফ্লোর ইনচার্জ শফিক আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এর প্রতিবাদ করলে তারা আমার উপর চড়াও হয়ে মারধরের চেষ্টা। একপর্যায়ে আমাকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দিয়ে আমার পাওনাদী না দিয়ে শ্রমিক নেতা জাহিদুর রহমান জীবনের কূ-পরামর্শে কারখানা থেকে কোন কারণ ছাড়াই বের করে দেয়। আমাকে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হলে আমি লিখিত জবাব দেই। এরপরে গত ১০ই মার্চ রোজ সোমবার বিকালে কারখানায় আমি আমার পাওনাদি আনতে গেলে অভিযুক্তরা আমাকে আবারও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার সহ এবং ফের কারখানার সামনে গেলে আমাকে মারবে, কাটবে, হা পা ভেঙ্গে দিবে বলে হুমকী দিয়ে কারখানার সামনে থেকে তাড়াইয়া দেয়। পরে আমি ভয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে আসি। এরপরে কোন উপায় না পেয়ে থানায় একটি অভিযোগ করি। যাতে করে এর সুষ্ঠ বিচার পেতে পারি এই জন্য প্রশাসন মহলের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
শ্রমিক নেতা জাহিদুর রহমান জীবনকে জানতে ফোন করা হলে তিনি এবিষয়ে অস্বীকার করে বলেন, এ সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। আপনি ওই শ্রমিকের কাছে জিগান, সে আমাকে দেখেছে কিনা বা আমাকে চিনে কিনা।এরপরে কারখানার এমডি মো: মোকলেছুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনটি কেটে দেন।এবিষয়ে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো: ফিরোজ মিয়া জানান, আমি ঘটনা স্থলে যাচ্ছি। এবিষয়ে তদন্ত করে বিস্তারিত জানাচ্ছি বলেও তিনি জানান।