আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিরি বিবাস, তার দুই শিশু পুত্র কেফির ও এরিয়েল এবং চতুর্থ বন্দি- ওদেদ লিফশিৎজের মরদেহ রেড ক্রসের হাতে তুলে দিয়েছে হামাস।
হামাস সদস্যরা রেডক্রসের ট্রাকে সাদা চাদরে ঢাকা কালো রঙের কফিনগুলো উঠিয়ে দেয়। এরপর রেডক্রসের গাড়িবহর ইসরাইলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
১৯ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়া ৪২ দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরাইলি জিম্মিদের মুক্তির বিনিময়ে ইসরাইলের কারাগারে আটক ফিলিস্তিনিরা মুক্তি পাচ্ছেন।
এখন পর্যন্ত চুক্তির প্রথম পর্যায়ের ৩০ দিনে ১৯ ইসরাইলি জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। এছাড়া নিজেদের উদ্যোগে পাঁচ থাই নাগরিককে মুক্তি দিয়েছে সংগঠনটি। অপরদিকে, এক হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি বন্দি মুক্তি পেয়েছেন। পরবর্তী ১২ দিনে আরও ১৪ ইসরাইলি জিম্মি মুক্তি পাবেন। ইসরাইল জানিয়েছে, বাকিদের মধ্যে আটজন এরইমধ্যে নিহত হয়েছেন।
হামাসের দাবি, ওই নিহত চার জিম্মি ইসরাইলি বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন। তবে বিষয়টি ইসরাইল নিশ্চিত করেনি। এ সপ্তাহের শুরুতে ইসরাইল -হামাস জানায়, নিহত আট জিম্মির মরদেহ দুই দফায় হস্তান্তর হবে। এরপর বাকি ছয় জীবিত জিম্মি মুক্তি পাবেন।
এদিকে গাজা যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় পর্যায়ে অবশিষ্ট সব ইসরাইলি জিম্মিকে মুক্তি দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে হামাস। মঙ্গলবার যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় পর্যায়ের জন্য একটি রূপরেখা তুলে ধরে দেয়া এক বিবৃতিতে এমনটি জানিয়েছে ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এর মধ্য দিয়ে গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং উপত্যকা থেকে ইসরাইলি বাহিনীকে সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা সম্ভব হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এভাবে ধাপে ধাপে ইসরাইলি জিম্মিদের মুক্তির বিরোধিতা করেন। তিনি অবিলম্বে সব জিম্মিকে মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানা। তার সেই আহ্বানের পর হামাসের পক্ষে বিবৃতি দিয়ে বিষয়টি স্পষ্ট করা হলো।
কিউএনবি/আয়শা/২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫,/সন্ধ্যা ৭:২০