বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চাঁদা নিতে আসলে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখবেন: হাসনাত আবদুল্লাহ আইজিপি হিসেবে আজ বাহারুলের শেষ দিন? পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানাল ভারত ও চীন পাক ব্রিগেড নিয়ে ট্রল বলি অভিনেতাদের চীনা ব্যবসায়ীর সঙ্গে গোপন বৈঠক করে ক্ষমতাচ্যুত হলেন পেরুর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বোর্ড অব পিসের সদস্যপদের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করল মেক্সিকো চেক বাউন্স বিতর্কের মাঝেই রাজপালকে সাইনিং করাচ্ছেন বিজেন্দ্র সিং যুক্তরাষ্ট্র ইসলামী প্রজাতন্ত্রকে ধ্বংস করতে সফল হবে না: খামেনি ৩ দিন পর শেয়ারবাজারে হাজার কোটি টাকার নিচে লেনদেন ‘দ্য গডফাদার’খ্যাত অস্কারজয়ী অভিনেতা রবার্ট ডুভাল আর নেই

কে হচ্ছেন ট্রুডোর উত্তরসূরী?

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৪৩ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দীর্ঘ এক দশক ধরে কানাডার নেতৃত্ব দেওয়া প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো অবশেষে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। সোমবার অটোয়ায় নিজ বাসভবনের বাইরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন তিনি। ট্রুডো জানান, লিবারেল পার্টি নতুন একজন নেতা নির্বাচন না করা পর্যন্ত তিনি প্রধানমন্ত্রী এবং দলীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করে যাবেন।

এদিকে, ট্রুডো কোনো উত্তরসূরি ঠিক না করেই দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করায় অনেকেই হতবাক হয়েছেন। কেননা তার পরে কে দলের হাল ধরবেন সে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হয়নি। এছাড়া বছরের শেষে ফেডারেল নির্বাচনে ট্রুডোর দল লিবারেল পার্টিকে নেতৃত্ব কে দেবেন তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

২০১৫ সাল থেকে টানা দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাজ করছেন ট্রুডো। এর আগে নাজুক পরিস্থিতি থেকে দলকে টেনে তুলেছিলেন তিনি নিজেই। এ খবর দিয়ে বিবিসি বলছে, ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে পদত্যাগ করেছেন ট্রুডো। যার ফলে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অধ্যায়ের অবসান হচ্ছে। কেননা দল থেকে পদত্যাগ করার অর্থ হচ্ছে তাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকেও সরে দাঁড়াতে হবে। তবে পরবর্তী নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনিই প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন। জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে সংসদ স্থগিত করার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

দেশটির পার্লামেন্ট না ভেঙে এই স্থগিতাদেশ বিতর্কের জন্ম দেবে, যাতে ভোট সহ অন্যান্য কার্যক্রমও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আগামী ২৪ মার্চ পর্যন্ত পার্লামেন্টের সকল কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। এর চার দিন পর ফেডারেল সরকার গঠনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

সাধারণত কানাডার ফেডারেল দলগুলো তাদের নেতা নির্বাচনে চার থেকে পাঁচ মাস সময় নেয়। দেশব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একজন নতুন নেতা নির্বাচনের ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রুডো। এমন পরিস্থিতিতে ট্রুডোর উত্তরসূরির তালিকায় উঠে এসেছে লিবারেল দলের সাবেক অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড, পরিবহনমন্ত্রী অনিতা আনন্দ এবং আনুষ্ঠানিক কেন্দ্রীয় ব্যাংকার মার্ক কার্টির নাম। তাদের মধ্য থেকেই কেউ একজন দলীয় প্রধান হতে পারেন।

দেশটির বিভিন্ন জরিপের পূর্বাভাস বলছে আগামী নির্বাচনে কনজারভেটিভ পার্টির কাছে ভরাডুবি হতে পারে ট্রুডোর দলের। অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলা করে যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারবে এমন দলই নির্বাচনে জয়ী হতে পারে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

কিউএনবি/অনিমা/০৭ জানুয়ারী ২০২৫,/দুপুর ২:১৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

February 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit