মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
অভিনয়ে ফিরতে চান, ভবিষ্যতে পরিচালনাতেও আগ্রহ মাইলি সাইরাসের নুসরাত হত্যা : মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামির ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি আজ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় পাকিস্তানের ভূমিকায় প্রশংসা মার্কিন আইনপ্রণেতাদের বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন, একদিনেই কমলো ১০ শতাংশের বেশি হাবিপ্রবির বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উপাচার্যের মতবিনিময় জাতীয় অধ্যাপক হলেন ড. মাহবুব উল্লাহ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে উন্নয়নের গতি বাড়বে: পরিবেশমন্ত্রী সৌদির তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলার দাবি হুথিদের সিজদা—যেখানে হৃদয়ের সব ভার হালকা হয়ে যায় ৯ বছরের ছোট ক্রিকেটারের সঙ্গে ম্রুণালের প্রেমের গুঞ্জন

বিজেপি কর্মীদের তোপের মুখে মিঠুনের সভাত্যাগ

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৭১ Time View

বিনোদন ডেস্ক : ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পূর্ব বর্ধমান জেলার একটি বিধানসভা হলো জামালপুর। সোমবার জামালপুর ব্লকের পাঁচড়া এলাকায় বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযানে যান জনপ্রিয় অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। সেখানে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় অভিনেতা সভাস্থল ত্যাগ করে চলে যান। তিনি বর্ধমানে বিজেপির কার্যালয়ে ঢুকতে গিয়েও তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মীদের স্লোগান, পালটা স্লোগানে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মুখে পড়েন। 

বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তৈরি হলে মিঠুন চক্রবর্তী বিজেপি কর্মী সমর্থকদের শান্ত হওয়ার অনুরোধ করে বলেন, তিনি চাইলে ভালো কোনও হোটেলে থাকতে পারতেন। কিন্তু, তা না করে কর্মীদের জন্য সবকিছু ছেড়ে সভায় এসেছেন। মিঠুনের অনুরোধ সত্ত্বেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। শেষ পর্যন্ত সভা না করেই সেখান থেকে বেরিয়ে যান মিঠুন।

পরে বিজেপি নেতা যান বর্ধমানে বিজেপির সদর দফতরে। সেখানে যেতেই আম্বেদকর ইস্যুকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা স্লোগান দিতে শুরু করেন। পালটা বিজেপি কর্মীরা স্লোগান দেন। এর ফলে দুই দলের কর্মী সমর্থকদের স্লোগান পালটা স্লোগানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে অন্য রাস্তা দিয়ে মিঠুন চক্রবর্তীকে বিজেপির কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশাল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা স্বীকার করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী। তিনি দলের কিছু কর্মীর নিন্দা করে বলেন, অনেক কর্মী রয়েছে যাদের দলের প্রতি ভালোবাসা কম। তারা দলকে ভালোবেসে কাজ করছে না, নিজেদের স্বার্থের জন্য দলে এসেছেন। তার ফলে দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বাড়ছে। একজন কর্মীকে পদ দেওয়া হলে অন্যজন তার ক্ষতি করার চেষ্টা করছে।

রাজ্যের বাইর থেকে নেতা নিয়ে বিজেপি রাজ্য পরিচালনা করছে, দিলীপ ঘোষের এমন মন্তব্য প্রসঙ্গে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, তিনি অনেক বড় নেতা। তিনি যা বলেছেন নিশ্চয়ই জেনে শুনেই বলেছেন। সদস্য সংগ্রহ অভিযানের বিষয়ে মিঠুন জানান, জেলার সদস্য সংগ্রহ অভিযান এখনও পর্যন্ত ঠিকঠাক আছে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৪ ডিসেম্বর ২০২৪,/রাত ১০:৫৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit