রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
প্রবল বর্ষণে ব্যাংকক পানির নিচে, দুর্যোগকবলিত এলাকা ঘোষণা মোহাম্মদপুরে অফিসে হামলা ও লুটপাট, জমি দখলের অভিযোগ রাড্ডা কার্যালয় ভাঙচুরে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন, তদন্ত কমিটি গঠন ১ অক্টোবরের মধ্যে প্রাথমিকে নিয়োগপত্র না পেলে পরবর্তীতে বিবেচনা: শিক্ষামন্ত্রী জাসদ কার্যালয়ে ‘জয় বাংলা’স্লোগান ও গোপন বৈঠক, আ.লীগ সন্দেহে আটক ৫০ সারা দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ভারতে বসে ফেসবুকে হুমকি-ধমকি দিয়ে লাভ হবে না: বিদ্যুৎমন্ত্রী পাতলা ওড়নায় মাথার চুল দেখা গেলে নারীর নামাজ হবে কি? জাগরিত চোখে স্বপ্ন দেখার নামই জীবন: কবি আবদুল হাই শিকদার

হোয়াইট হাউজে ফিরে যে ৭ কাজ করতে পারেন ট্রাম্প

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৫৩ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কমলা হ্যারিসের বিরুদ্ধে বড় জয় পাওয়ার পর বুধবার (৬ নভেম্বর) ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, আমি একটি সাধারণ লক্ষ্য নিয়ে দেশ পরিচালনা করব। সেটি হলো—যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সেগুলো পূরণ করা। আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ করব।

 
এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উভয় কক্ষ সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি। যার ফলে এবার তার লক্ষ্য পূরণ আরও সহজ হবে।
 
চলুন জেনে নেয়া যাক পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে কোন সাতটি কাজকে অগ্রাধিকার দিতে চান ট্রাম্প। সেগুলো কী কী?
 
অবৈধ অভিবাসীদের ফিরিয়ে দেয়া
নির্বাচনী প্রচারণায় টাম্প সবচেয়ে বেশি জোর দিয়ে যে কথা বলেছেন তা হলো, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি অবৈধ অভিবাসীকে বিতাড়িত করবেন তিনি। এছাড়া মেক্সিকো সীমান্তে প্রাচীর নির্মাণের কাজ শেষ করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। নিজের প্রথম মেয়াদে এই প্রাচীর তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন তিনি।
 
তবে অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ে ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গিকে কিছুটা বাঁকা চোখে দেখছেন বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিরা। বিবিসিকে তারা বলেন, যে পরিমাণ অভিবাসীকে ট্রাম্প ফিরিয়ে দেয়ার কথা বলছেন, তা বাস্তবায়ন করতে গেলে বিশাল আইনগত ও লজিস্টিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে। এছাড়া এটি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির গতিও কমিয়ে দিতে পারে।

অর্থনীতিতে মনোযোগ
ভোটগ্রহণের পরপরই বুথফেরত জরিপে দেখা গিয়েছিল, ভোটারদের কাছে অন্যতম বড় একটি বিষয় হলো যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি। ট্রাম্প এরইমধ্যে মূল্যস্ফীতি থামানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেখেছেন। বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে নিত্যপণ্যের দাম রেকর্ড পরিমাণ উচ্চতায় উঠেছিল।
 
এছাড়া ট্যাক্স কমানোর প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন ট্রাম্প। বাণিজ্যঘাটতি কমাতে বিদেশি পণ্যের ওপর নতুন অন্তত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে চান। আর চীন থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়াতে চান অতিরিক্ত ৬০ শতাংশ। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে পণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে।
 
জলবায়ু নীতিতে কাটছাঁট
২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর পরিবেশ সুরক্ষাসংক্রান্ত নানা আইন বাতিল করেছিলেন ট্রাম্প। তখন প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে প্রথম দেশ হিসেবে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
 
এবারও জলবায়ু নীতিতে কাটছাঁট করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ট্রাম্প। এর মধ্য দিয়ে ট্রাম্পের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের গাড়িশিল্পকে সহায়তা করা। ইলেকট্রিক গাড়ির বিরোধী তিনি। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের জীবাশ্ম জ্বালানির উত্তোলন বাড়ানোরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ট্রাম্প।
 
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ
রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে ইউক্রেনকে শত শত কোটি ডলার দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট। বরাবরই এর কঠোর সমালোচনা করে আসছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগে তিনি বলেছিলেন, চাইলে সমঝোতার মাধ্যমে ‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে’ এই যুদ্ধ শেষ করতে পারেন তিনি।
 
গর্ভপাতের অধিকার রদ
নিজের কিছু সমর্থকের ইচ্ছার কথা মাথায় রেখে কমলা হ্যারিসের সঙ্গে নির্বাচনী বিতর্কের সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি ক্ষমতায় এলে গর্ভপাতের অধিকার রদসংক্রান্ত আইনে স্বাক্ষর করবেন না। ২০২২ সালে গর্ভপাতের সাংবিধানিক অধিকারকে খারিজ করে দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট। ওই রায়ের পক্ষে ছিলেন আদালতের রক্ষণশীল বিচারপতিদের অধিকাংশ।
 
৬ জানুয়ারির দাঙ্গাকারীদের ক্ষমা
২০২০ সালের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছে পরাজিত হন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তিনি সে পরাজয় মেনে নেননি। তাই নির্বাচনের ফলাফল বদলাতে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটল ভবনে হামলা চালান ট্রাম্পের সমর্থকেরা। এতে কয়েকজনের মৃত্যু হয়। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দাঙ্গা বাধাতে সমর্থকদের উস্কানি দেয়ার অভিযোগ উঠেছিল।
 
ট্রাম্প বলেছিলেন, দাঙ্গার অভিযোগ তুলে তার শত শত সমর্থককে রাজনৈতিক বন্দী করা হয়েছে। তাদের অনেককে অকারণে বন্দী করে রাখা হয়েছে। ক্ষমতায় গেলে তাদের কয়েকজনকে ‘মুক্তি’ দেবেন তিনি।
 
বিশেষ কৌঁসুলি জ্যাক স্মিথকে চাকরিচ্যুত
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দুটি ফৌজদারি মামলার তদন্ত করছেন মার্কিন কৌঁসুলি জ্যাক স্মিথ। ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল ভবনে দাঙ্গায় উস্কানি দেয়া ও সরকারি গোপন নথি সরানোর অভিযোগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ওই মামলা দুটি করা হয়েছিল। যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ট্রাম্প।
 
ট্রাম্প একসময় বলেছিলেন, হোয়াইট হাউজে বসার ‘দুই সেকেন্ডের মধ্যে’ জ্যাক স্মিথকে চাকরিচ্যুত করবেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ক্ষমতায় ফিরেছেন ট্রাম্প। এখন দেখার বিষয় তিনি কী করেন।
 
সূত্র: বিবিসি

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৭ নভেম্বর ২০২৪,/বিকাল ৩:২৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit