রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আশুলিয়ায় জাতীয়তাবাদী মোটর চালক দলের ১২৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা রাতভর রাশিয়া-ইউক্রেনের পাল্টাপাল্টি হামলা, শিশুসহ নিহত ৭ নওগাঁর পত্নীতলায় চোলাইমদসহ এক মহিলা আটক  আশুলিয়ায় জাতীয়তাবাদী মোটর চালক দলের ১২৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবি সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান অভিযান চালিয়ে ১ লক্ষ ৯৯ হাজার টাকার মাদক আটক ॥ শঙ্কায় উইন্ডিজ, ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলতে বাংলাদেশের সামনে যে সমীকরণ মোট ভোটার ১২ কোটি ৮৬ লাখ, এই তালিকায় স্থানীয় নির্বাচন জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর ভারতের বাংলাদেশ সফর অনিশ্চিত, দুশ্চিন্তায় বিসিবি মানিকগঞ্জে মায়ের সঙ্গে অভিমান করে কিশোরের আত্মহত্যা

২৮ অক্টোবর: মানুষ মেরে লাশের ওপর নৃত্য করেছিল আওয়ামী লীগ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৬৩ Time View

ডেস্ক নিউজ : ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার পল্টন-বায়তুল মোকাররম এলাকায় জামায়াতে ইসলামী এবং আওয়ামী লীগের কর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। সেদিন ঢাকার রাস্তায় প্রকাশ্যে অস্ত্র তুলে গুলি এবং মানুষ পিটিয়ে মারার ঘটনা গভীর আলোড়ন তৈরি করেছিল। প্রকাশ্যে লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত-শিবিরের ৬ নেতা-কর্মীকে হত্যা করা হয়।

২৮ অক্টোবর ছিল বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট সরকারের শেষ দিন। সেদিন ঢাকার রাস্তায় প্রকাশ্যে অস্ত্র তুলে গুলি এবং মানুষ পিটিয়ে মারার ঘটনা গভীর আলোড়ন তৈরি করেছিল।

বিএনপি-জামায়াতের দাবি, একদলীয় শাসনের গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই সেদিন রাজপথে তাণ্ডব চালায় আওয়ামী লীগ।

রাজপথে লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার পর সেই লাশের ওপর নৃত্যের ঘটনাটি দেশের ইতিহাসে একটি অন্যতম নৃশংস ঘটনা। যা নিয়ে নিন্দার ঝড় উঠে দেশে-বিদেশে। তবে বিষয়টি হঠাৎ করে ঘটেনি। লগি-বৈঠা নিয়ে রাজপথে এসে প্রতিপক্ষকে দমনের ঘোষণা ছিল আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের।

লগি-বৈঠার তাণ্ডব ছাড়াও রাজধানীর পল্টন-বায়তুল মোকাররম এলাকায় বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের দিনব্যাপী চলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। এ ঘটনায় পল্টন ও শাহবাগ থানায় পৃথক ৫টি মামলা হয়। পল্টন থানায় করা পাল্টাপাল্টি দু’টি মামলার একটি ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরই প্রত্যাহার করা হয়। ক্ষমতাসীন ১৪ দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে করা অন্য মামলাগুলোও পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

২৭ অক্টোবর রাত ১২টার পর অষ্টম জাতীয় সংসদের বিলুপ্তি ঘটে। ২৮ অক্টোবর ছিল বিএনপি সরকারের শেষ দিন। সেদিনই বঙ্গভবনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার শপথ হওয়ার কথা ছিল। আওয়ামী লীগ আগেই ঘোষণা দিয়েছিল যে কে এম হাসান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হলে লাগাতার অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। ওইদিন রাতে কেএ ম হাসান তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান হতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

এতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে সংকট আরও জটিল আকার ধারণ করে।

এমন অবস্থায় ২৮ অক্টোবর ঢাকায় সমাবেশের ঘোষণা দেয় জামায়াতে ইসলামী, আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি। পল্টন ময়দানে সমাবেশের ঘোষণা দেয় আওয়ামী লীগ। এ ছাড়া বিএনপি নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এবং জামায়াতে ইসলামী বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে সমাবেশের ঘোষণা দেয়।

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, ‘এটি ছিল স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের উত্থানের প্রথম মহড়া। সেদিনও বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় ছিল। তবে সরকারের যে ভূমিকা পালন করা দরকার ছিল তা তারা করেনি।’

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২৮ অক্টোবরে লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারী মনোভাবেরই বহিঃপ্রকাশ। রক্তাক্ত এই দিনটি রাজনীতির ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় হয়ে থাকবে বলে মনে করেন তারা।

কিউএনবি/অনিমা/২৮ অক্টোবর ২০২৪,/দুপুর ২:৫৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit