আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ বাড়িয়ে ৫ দিন পর রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) শেষ হলো চীন-রাশিয়ার এই যৌথ মহড়ার প্রথম ধাপ। আর্কটিক অঞ্চল এবং এশিয়া-প্যাসিফিকসহ আশপাশের সাগরে গত ১১ সেপ্টেম্বর নর্দান ইন্টারেকশন-২০২৪ নামে নৌ ও বিমান মহড়া শুরু করে চীন-রাশিয়া। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে বলা হচ্ছে, জল ও আকাশপথে সক্ষমতার জানান দিতেই এমন মহড়ার আয়োজন করে দেশ দুটি।
মস্কো জানায়, ছোট-বড় ৪০০ জাহাজ, অন্তত ১২০টি যুদ্ধবিমান ও ৯০ হাজারের বেশি সেনা অংশ নেন এই মহড়ায়। আর এটি পর্যবেক্ষণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয় অন্তত ১৫টি দেশকে। বিশ্লেষকরা বলছেন, রাশিয়ার উদ্দেশ্য, চীনের সঙ্গে মহড়ায় অংশ নিয়ে পশ্চিমাদের সামনে নিজেদের শক্তি জাহির করা। মূলত, মস্কোর সেনারা ইউক্রেনে পূর্ণ মাত্রায় যুদ্ধ চালানোর পাশাপাশি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলেও যে সামরিক শক্তি প্রদর্শন করতে পারে সেটিই দেখাতে চেয়েছে ক্রেমলিন।
অন্যদিকে চীনের লক্ষ্য, মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করা। এতে দক্ষিণ চীন সাগর ও জাপানের আশপাশেও তাদের প্রভাব বাড়বে। চলতি মাসের শেষে জাপান সাগর ও ওখোটস্ক সাগরে ওশেন-২০২৪ নামে রাশিয়ার আরেকটি মহড়ায় চীনের অংশ নেয়ার কথা আছে।
কিউএনবি/আয়শা/১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪,/সন্ধ্যা ৬:২১