বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন

দুর্নীতির স্বার্থে গোয়েন্দা সংস্থাকে ব্যবহার করা হয়েছিল: ইফতেখারুজ্জামান

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৪
  • ৮৬ Time View

ডেস্ক নিউজ : দুর্নীতির স্বার্থে গোয়েন্দা সংস্থাকে ব্যবহার করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে জাতীয় সংসদ। কিন্তু বিগত সরকার সংসদকে পুতুল নাচের নাট্যশালায় পরিণত করায়, সেই সংসদ দুর্নীতি প্রতিরোধে কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি। পাশাপাশি কর্তৃত্ববাদী শাসনের কারণে বিগত সময়ে ব্যাপক মাত্রায় দুর্নীতির প্রসার হয়েছে। সঙ্গে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়েছিল। এমন কোনো অপরাধ ঘটেনি যেখানে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সম্পৃক্ততা ছিল না। 

শনিবার এফডিসিতে দুর্নীতি প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে আয়োজিত ছায়া সংসদে ইফতেখারুজ্জামান এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে ‘প্রাতিষ্ঠানিক নজরদারি অপেক্ষা ব্যক্তি সচেতনতাই দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে পারে’ শীর্ষক প্রস্তাবে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির বিতার্কিকদের পরাজিত করে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বিতার্কিকরা বিজয়ী হন। 

প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক তাজুল ইসলাম চৌধুরী তুহিন, ড. এসএম মোর্শেদ, সাংবাদিক মহি উদ্দিন, রোকসানা আমিন ও সাংবাদিক আতিকা রহমান। প্রতিযোগিতা শেষে চ্যাম্পিয়ন দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। 

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, যারা আইনের রক্ষক হওয়ার কথা ছিল তারা ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের নেতৃত্বের দুর্বলতা এবং রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে প্রতিষ্ঠানটি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। দুর্নীতি প্রতিরোধে দুর্নীতি দমন কমিশন পুনর্গঠনের প্রয়োজন। এছাড়াও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, সিআইডি, অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের যথাযথ সংস্কার করতে হবে। 

তিনি জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তির সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির যে অভিযোগ এসেছে তা নাকচ করা যায় না। রাষ্ট্র এ অভিযোগ বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে যে পরিমাণ টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে, তা দেশের প্রচলিত আইন ও আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এক্ষেত্রে পাচারকৃত দেশের সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের আইনি সমঝোতা করতে হবে। 

 

 

কিউএনবি/আয়শা/৩১ অগাস্ট ২০২৪,/রাত ৮:৪০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit