বাদল আহাম্মদ খান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি : ছয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বসানো হয়েছে ‘সাহায্য বাক্স’। সহযোগিতার হাত বাড়াতে অনুরোধ করা হয়েছে সমাজের দয়াশীল বিত্তবানদের প্রতি। সংগঠনের সঙ্গে জড়িতরা নিজ নিজ অবস্থান থেকেও করবে সাধ্যমতো সার্বিক সহযোগিতা। আর এমন চেষ্টায় ‘ঈদহাসি’ ফুটে উঠবে অন্তত তিন হাজার অসহায় পরিবারে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ‘স্মাইল ইন লাইফ ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সংগঠনের উদ্যোগে অংশ হিসেবে অসহায়দের ঈদপোশাক বিতরণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে সোমবার। পৌর এলাকার জেলরোডের সহজ পাঠশালা নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সোমবার সকালে মোট ২০০ জনের মাঝে ঈদের পোশাক দেওয়া হয়। মোট ৩০টি এলাকায় ঘুরে ঘুরে সংগঠনটি ঈদের আগের দিন পর্যন্ত এসব পোশাক বিতরণ করবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, পৌর মেয়র নায়ার কবির। স্মাইল ইন লাইফ ফাউন্ডেশন এর প্রচার সম্পাদক শাহজাহান আহমেদ সাজনের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা, দৈনিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক শাহদাৎ হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন শোভন, ড্রিম ফর ডিসঅ্যাবিলিটি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মো. হেদায়েতুল আজিজ মুন্না, স্মাইল ইন লাইফ ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা আসিফ ইকবাল খান, দৈনিক বাংলা প্রতিনিধি মাজহারুল করিম অভি, রংধনু পার্লারের স্বত্বাধিকারি শাহানা আজিজ, উর্মি বিউটি পার্লারের নায়মা উর্মি, স্মাইল ইন লাইফ এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকলিমা নূর জেবা, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কাজি খালিদ প্রমুখ।
কথা হয় সংগঠনের পোশাক পেয়ে বেশি হাসিমুখে চলে যেতে থাকা তহুরা বেগমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমডার ঈদের জামা-কাপড় কিননের মুরদ (সামর্থ্য) নাই। তাইনেরার মত বড় মানুষ দেওনে অহত নতুন একটা শাড়ি হইলো।’ রোকসানা নামে এক নারী বলেন, ‘অহন আর ঈদের কাপড় লয়া আমার টেনশন নাই। স্যারেরা আমডার হগলওে ঈদের কাপড় দিছে। আমি শাড়ি পাইছি। আমার দুই পুলাপানও কাপড় পাইছে। স্যারেরা না দিলে কিননডা কষ্টো অইলো অইলে।’স্মাইল ইন লাইফ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আসিফ ইকবাল বলেন, ‘মূলত আমরা অসহায় বৃদ্ধ ও পথশিশুদেরকে সহায়তা করি। এছাড়া শিক্ষাবঞ্চিত শিশুদেরকেও সহায়তা করা হয়। মানবকল্যাণ হয় এমন সব কাজই আমরা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে করে যেতে চাই।’
কিউএনবি/আয়শা/০১ এপ্রিল ২০২৪,/রাত ৮:৫৮