আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এ বিষয়ে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অন্যান্য দেশকে এরইমধ্যে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোকে পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, কোনো ধরনের চীনা নিরাপত্তা বাহিনী যেন তাদের দেশে প্রবেশ করতে না দেয়া হয়।
কিরিবাতিতে চীনা পুলিশ মোতায়েন নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছে দেশটি।এর আগে কিরিবাতির ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার এরি অ্যারিটিয়েরা রয়টার্সকে বলেন, কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই কিরিবাতির পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে কাজ করছেন চীনা অফিসাররা। তারা ‘কমিউনিটি পুলিশিং’ ও ‘ক্রাইম ডেটাবেস প্রোগ্রাম’র সঙ্গে যুক্ত। এমন সময়ে এই তথ্য সামনে এলো যখন প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোতে নিজেদের সামরিক ঘাঁটি বানানোর চেষ্টা করছে চীন। যুক্তরাষ্ট্রেকে টেক্কা দিতেই তারা এই উদ্যোগ নিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
প্রাথমিকভাবে জাতিগত চীনা বাসিন্দাদের পরিচালিত এসব ‘পুলিশ স্টেশন’ বিদেশে বসবাসরত চীনা নাগরিকদের সেবাদানের পাশাপাশি তাদের গতিবিধির ওপর নজরদারি করে থাকে। ২০০৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে চীনের এ ধরনের পুলিশ স্টেশনের কথা প্রথম জানা যায়।
কিউএনবি /আয়শা/২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪/সন্ধ্যা ৭:১৫