স্পোর্টস ডেস্ক : সিলেট স্টেডিয়ামে কন্ডিশন কাজে লাগিয়ে বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম বল সুইং করিয়েছেন ডানে-বাঁয়ে।
সিলেট স্টাইকার্সের বিপক্ষে টানা তিন ওভারের প্রথম স্পেলে শরিফুল রান দিলেন মাত্র ৮, উইকেট ৩টি। সিলেটের টপ অর্ডারের শামসুর রহমান, নাজমুল হোসেনের পর জাকির হাসানকে বোল্ড করেন ইন সুইংয়ে।
শেষ ওভারে ১৬ রান খরচ করে ১টি উইকেট নেন শরিফুল। দিন শেষে জাতীয় দলের এ পেসার ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। টি-টোয়েন্টিতে এটি তার সেরা বোলিং। কিন্তু তার দল দুরন্ত ঢাকা জিততে পারেনি। সিলেট স্ট্রাইকার্সের কাছে হেরেছে ১৫ রানে।
দিনটা যে শরীফুলের হতে পারে, এমন পূর্বাভাস নাকি আগের দিনই পেয়েছিলেন তিনি। ইনিংসের মাঝে টিভি সম্প্রচারকের প্রশ্নের উত্তরে শরিফুল বলেছেন, ‘আমরা গতকাল সকালে যখন এসেছিলাম, তখন থেকেই আবহাওয়া এমন (মেঘলা) ছিল। তখন বলেছিলাম যে যদি বোলিং পাই, তাহলে সামনে বল করতে হবে। কারণ, আবহাওয়ার একটা সুবিধা আছে, সেটা নেওয়ার জন্য। সেটাই ম্যাচে কাজে দিয়েছে।’
এবারের বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করেছিলেন শরিফুল। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের বিপক্ষে সে ম্যাচের শেষ ওভারে শরিফুল একে একে আউট করেছিলেন খুশদিল শাহ, রোস্টন চেজ ও মাহিদুল ইসলাম।
আজ শুক্রবার ইনিংসের চতুর্থ ওভারে নাজমুল ও জাকিরকে আউট করে আরও একবার হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্রিজে আসা মোহাম্মদ মিঠুন অবশ্য হ্যাটট্রিকের বলটা সামলে নেন।
তবে হ্যাটট্রিক বলটা নিয়ে শরিফুলের আক্ষেপ আছে। বলটা যদি আরেকটু ভালো জায়গায় করা যেত, তাহলে হয়তো বিপিএলের দ্বিতীয় হ্যাটট্রিকও আসত—এমনটাই মনে করেন শরিফুল। তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। হ্যাটট্রিক চান্স একটা এসেছিল। আমি চেষ্টা করেছিলাম লেগ বিফোর, নাহলে বোল্ড করতে। সে জন্য একটু সুইং করে বল বের হয়ে গেছে। চাপ তৈরি করা বলতে, তখন ব্যাটসম্যানরা চাপে থাকে, বোলাররা না। একটু ভালো জায়গায় যদি করতে পারতাম, তাহলে হয়তো উইকেটটা আসত।’
শরিফুলকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন তার সতীর্থ তাসকিন আহমেদ। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে তাসকিন জানালেন শরিফুলের সাম্প্রতিক সাফল্যের রহস্য, ‘শরীফুল দারুণ ফর্মে আছে। ওর কবজির পজিশন, সিম পজিশন অনেক উন্নতি হয়েছে। আগে কিন্তু ওর সিম অনেকটা ওবল থাকত। এ জন্য সুইং কম পেত। সম্প্রতি ওর বলে সুইংটা ভালো হয়েছে। কদিন আগে নিউজিল্যান্ড সিরিজেও দারুণ বোলিং করেছে।’
কিউএনবি/অনিমা/০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪/রাত ৯:০৯