আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মানবসম্পদ উন্নয়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে সিঙ্গাপুর ও ইকুয়েডর। এর মাধ্যমে নেতৃত্ব বিকাশ, টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দুই দেশের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং অংশীদারত্ব আরও জোরদার হবে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট দানিয়েল নোবোয়া আজিনের সিঙ্গাপুর সফরকালে দুই দেশের মধ্যে এ সমঝোতা স্মারক সই হয়।
ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্টের সম্মানে গুডউড পার্ক হোটেলে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় ভোজসভায় সিঙ্গাপুরের প্রেসিডেন্ট থারমান শানমুগারাতনাম বলেন, প্রশান্ত মহাসাগর দুই দেশকে আলাদা করে রাখলেও ভৌগোলিক দূরত্ব দুই দেশের অংশীদারত্বের গভীরতা নির্ধারণ করতে পারে না। সামুদ্রিক দেশ হিসেবে উভয় রাষ্ট্রই জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক কনভেনশন এবং অবাধ নৌ চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইকুয়েডর সিঙ্গাপুরের জন্য লাতিন আমেরিকার অ্যান্ডিয়ান অঞ্চলে বাণিজ্যের নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে।
সফরকালে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওয়াংয়ের সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রেসিডেন্ট নোবোয়া। এটি ছিল কোনো ইকুয়েডরীয় প্রেসিডেন্টের প্রথম সিঙ্গাপুর সফর। বৈঠকে খাদ্যনিরাপত্তা, বাণিজ্য, সরবরাহব্যবস্থা ও ডিজিটাল রূপান্তর নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়।
ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট বলেন, সিঙ্গাপুরের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে তার দেশ আগ্রহী। তিনি সিঙ্গাপুরের যেকোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ইকুয়েডরে সরাসরি ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার লাইসেন্স দেওয়ার প্রস্তাব দেন।
এ ছাড়া সিঙ্গাপুরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় কর্মসূচি বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন নোবোয়া। গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জের ‘চার্লস ডারউইন রিসার্চ স্টেশন’-এ সিঙ্গাপুরের গবেষকদের কাজ করার সুযোগ দেওয়ার বিষয়েও তিনি কথা বলেন।
বর্তমানে সিঙ্গাপুরের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ইকুয়েডরে ব্যবসা সম্প্রসারণ করেছে। এর মধ্যে ‘ডিমিউটো’ নামের একটি সিঙ্গাপুরি প্রতিষ্ঠান ইকুয়েডরের কৃষিপণ্যের সরবরাহব্যবস্থা ডিজিটাল করার কাজ করছে। অন্যদিকে ‘পিএসএ মেরিন’ ইকুয়েডরের গুয়াইয়াকিল ও পোসোরজা বন্দরে পাইলটেজ ও নৌযানসেবা দিচ্ছে।
কিউএনবি/অনিমা/২৪ অগাস্ট ২০২৬,/সন্ধ্যা ৭:২৯