ফারুক খান বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে ফিলিপাইনের বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করলে তাদের সব ধরনের সহযোগিতা দেয়া হবে। পর্যটন ও এভিয়েশন শিল্পে একত্রে কাজের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যকার বন্ধুত্ব আরও জোরদার হবে।
বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করে ফিলিপাইনে রাষ্ট্রদূত জানান, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও অনন্য সুন্দর প্রকৃতি নিয়ে বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় পর্যটন গন্তব্য।
বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে বিনিয়োগের জন্য তিনি ফিলিপাইনের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কথা বলবেন। তাছাড়া ঢাকা-ম্যানিলা সরাসরি বিমান যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত।
জবাবে বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যকার বিদ্যমান এয়ার সার্ভিস চুক্তিটি অনেক আগের হওয়ায় তা দ্রুত আপডেট করে নতুন করে স্বাক্ষরের বিষয়ে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনানার পাশাপাশি ঢাকা-ম্যানিলা সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে যাত্রী ও কার্গোর বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্যও নির্দেশ দেবেন তিনি।
এর আগে গতকাল রাতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত নগুয়েন মান চোং মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সে সময় তারা দুদেশের পর্যটন সম্পর্কিত বিষয়ে পারস্পরিক মতবিনিময় করেন।