রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
১৭ এপ্রিল হজ ফ্লাইট শুরু, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী পার্বতীপুরে বরেন্দ্র বহুমুখি উন্নয়ন প্রকল্পের অবৈধ অপারেটর এর দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যহারের দাবীতে মানববন্ধন ব্রাজিল দলে ফিরতে নেইমারকে যে শর্ত দিলেন কোচ চেঙ্গী নদীতে ফুল ভাসিয়ে খাগড়াছড়িতে বিজু উৎসব শুরু। তিনি ছিলেন আমাদের ‘সাউন্ডট্র্যাক’: প্রিয়াংকা চোপড়া পূর্ব সুলতানপুর গ্রামে বরেন্দ্র বহুমুখি উন্নয়ন প্রকল্পের অবৈধ অপারেটর এর দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যহারের দাবীতে মানববন্ধন॥ হার নিয়ে অজুহাত দিতে চান না আর্তেতা ইসরায়েলি আগ্রাসনের মুখে যুক্তরাষ্ট্র সফর স্থগিত করলেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী ফসলের মাঠে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী লিখিত প্রস্তাব বিনিময় করেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরা

মাঝ আকাশে শিশুকে বাঁচাতে এলেন ‘ঈশ্বরের দুই দূত’!

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৮৫ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চিকিৎসার জন্য সন্তানকে নিয়ে প্লেনে করে ভারতের রাজধানী দিল্লি যাচ্ছিলেন মা। জন্ম থেকেই হৃদরোগে ভুগছে ৬ মাসের শিশুটি। কিন্তু মাঝ আকাশেই তীব্র শ্বাসকষ্ট শুরু হয় তার। তখন সন্তানকে বাঁচাতে কাতর হয়ে বিমানের ক্রুদের কাছে আর্জি জানান অসহায় মা। ওই সময় ‘ঈশ্বরের দূত’ হয়ে এগিয়ে আসেন রাঁচির এক আমলা চিকিৎসক ও তার সঙ্গী। তাদের চিকিৎসায় অবশেষে বিপদমুক্ত হয় শিশুটি।

ওই ঘোষণা শুনেই এগিয়ে আসেন আইএএস অফিসার-চিকিৎসক নীতিন কুলকার্নি ও ডা. মোজাম্মিল ফিরোজ। বর্তমানে ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপালের প্রধান সচিব হলেও চিকিৎসকের কর্তব্য ভোলেননি কুলকার্নি। তাই রাঁচি সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ফিরোজকে সঙ্গে নিয়ে শিশুটিকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন তিনি। ডা. কুলকার্নি জানান, প্লেনটিতে শিশুদের জন্য অক্সিজেন মাস্ক ছিল না। ফলে প্রাপ্তবয়স্কদের মাস্ক দিয়েই ওই শিশুকে অক্সিজেন দেওয়া হয়। তার মেডিক্যাল রিপোর্টগুলো দেখে জানা যায়, সে জন্মগতভাবেই হৃদরোগী। চিকিৎসার জন্য তাকে দিল্লির এইমস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

জানা যায়, শিশুটির শ্বাসকষ্টের জন্য তৎক্ষণাৎ বিশেষ ইনজেকশনের দরকার ছিল, যার মধ্যে একটি তার মায়ের কাছে ছিল। সেই ইনজেকশন শিশুটিকে দেন ডা. কুলকার্নি। সেটি সেই সময় ভীষণ কাজে এসেছিল বলে জানান তিনি। জানা যায়, অক্সিমিটার না থাকায় শিশুটির শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ জানা যাচ্ছিল না। তবে নানাভাবে শিশুটিকে সুস্থ করার চেষ্টা চালিয়ে যান ডা. কুলকার্নি ও ডা. ফিরোজ। তাদের তৎপরতায় ধীরে ধীরে শিশুটির অবস্থা স্থিতিশীল হয় ও স্টেথোস্কোপে হৃৎস্পন্দন ধরা পড়ে।

প্লেনের ক্রুরাও নানাভাবে শিশুটির চিকিৎসায় সহায়তা করেছিলেন বলে জানান ডা. কুলকার্নি। তার পর বেলা ৯টা ২৫ মিনিট নাগাদ প্লেনটি দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণ করার সঙ্গে সঙ্গে শিশুটিকে সম্পূর্ণ অক্সিজেন সাপোর্ট দিয়ে এইমস হাসপাতালে পাঠানো হয়। এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে নানা চেষ্টায় শিশুটি বিপদমুক্ত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ডা. কুলকার্নি ও ডা. ফিরোজ।

আইএএস কর্মকর্তা হয়ে ডা. নীতিন কুলকার্নি যেভাবে শিশুটিকে বাঁচাতে ঝাঁপিয়ে পড়েন, তাতে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ওই বিমানের অন্য যাত্রীরা। ডা. কুলকার্নি ও ডা. ফিরোজ ৬ মাসের শিশুটিকে বাঁচাতে ‘ঈশ্বরের দূত’ হয়ে এসেছিলেন বলে টুইট করেছেন অনেকেই।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit