বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন সাংবাদিক নঈম নিজামসহ ৩ জন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ ২০২৬ সালে আসছে যেসব ফোল্ডেবল ফোন ‘বিশ্বকাপে না খেললে বিসিবির কোনো ক্ষতি হবে না’ নেত্রকোণার হাওরাঞ্চলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে টেনমিনিটস ব্রিফ মোহনগঞ্জে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী সুমা আক্তারের সংবাদ সম্মেলন আলাদীপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র প্রজন্ম দলের কমিটির উপজেলা কমিটি কর্তৃক অনুমোদন॥ বিজিবি সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৮৮লক্ষ টাকার মাদক আটক॥ নরসিংদীতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ ৭ জন গ্রেপ্তার চৌগাছায় বিএনপির অঙ্গসংগঠনগুলোর সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

ডিএসএ কালো আইন মেনে নিয়েছে সরকার: টিআইবি

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৭৯ Time View

ডেস্ক নিউজ : ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) প্রধান নির্বাহী ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের (ডিএসএ) নাম ও কয়েকটি ধারা পরিবর্তন করে নতুন যে সাইবার নিরাপত্তা আইনের খসড়া করা হয়েছে, সেখানে আদতে কিছুই পরিবর্তন হয়নি। 

বুধবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে মাইডাস সেন্টারে টিআইবির কার্যালয়ে সাইবার নিরাপত্তা আইনের নতুন ধারা ও পরিবর্তন নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন ড. ইফতেখারুজ্জামান। 

ইফতেখারুজ্জামান বলেন, যখন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কার্যকর হয়, তখন আমরা এটা বাতিল করতে বলছিলাম। এবার যখন সাইবার নিরাপত্তা আইনের খসড়া বানানো হলো, সেটিও একই রকম রয়েছে। শুধু কিছু অংশে পরিবর্তন আছে, যা পরিষ্কার নয়। অনেক ক্ষেত্রে হুবহু কপি পেস্ট করা হয়েছে। এই আইন যদি এভাবে পাস হয়, তাহলে আবার এটাকে বাতিল করার আহ্বান করব।’ 

তিনি বলেন, এখন যে খসড়া আছে, সেটি সাইবার নিরাপত্তা না দিয়ে মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করছে। সাইবার নিরাপত্তা না দিয়ে মানুষের অধিকারে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। 

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন পরিচালক শেখ মনজুর-ই-আলম ডিজিটাল আইন ও খসড়া আইনের পার্থক্য তুলে ধরেন। 

ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অনেক জায়গায় যেসব পরিবর্তন হয়েছে তা পরিষ্কার নয়। পুলিশের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে অতিরিক্ত। পুলিশের দক্ষতার প্রশ্ন আছে। যিনি গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেবেন, তাঁকেও জানতে হবে টেকনিক্যাল বিষয়গুলো। কিছু জায়গায় উভয় দণ্ডের কথা বলা আছে, যদিও সেটি পরিবর্তন করা হয়েছে, তবে শব্দ পরিবর্তন হয়নি। যেটা সাইবার অপরাধের বাইরে, সেটা বাতিল করা উচিত এই আইন থেকে। 

তিনি বলেন, এই খসড়া আইনের প্রক্রিয়া ও বিবেচনা উভয়ই বিতর্কিত। এই সরকারের আমলে একটা ইতিবাচক দিক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যে কোনো আইন পরিবর্তন বা পরিমার্জনের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হতো। তবে এই আইনের বেলায় তা নেওয়া হয়নি। শুধু ১৪ দিনের সময় দিয়ে মতামত চাওয়া হয়েছে। এখনো সুযোগ আছে মতামত নেওয়ার। 

ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এই আইনের অনেক সাজার ক্ষেত্রে অন্য আইন আগে থেকেই আছে। শুধু শুধু এখানে সেই বিষয়গুলো যোগ করা হয়েছে। এটা সাইবারকেন্দ্রিক নিরাপত্তার কথা বললেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করার জন্য সাজা নির্ধারণ করেছে।

তিনি বলেন, মানহানির ক্ষেত্রে প্রচলিত আইনে দণ্ড আছে, তাহলে কেন ডিজিটাল আইনে শাস্তি পেতে হবে? ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে আমি কী মত প্রকাশ করব, সেটা আইন দ্বারা প্রভাবিত করা ঠিক হবে না।’

 

 

কিউএনবি/আয়শা/৩০ অগাস্ট ২০২৩,/সন্ধ্যা ৬:৩৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

January 2025
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit