শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
হ্যালান্ড-চের্কির জোড়া গোলে প্যালেসের মাঠে ম্যানসিটির দাপুটে জয় শিল্পকলায় শেষ হলো দুই দিনব্যাপী নজরুল অনুষ্ঠানমালা নেপালের বন্যায় ২৫০ মাইল দূরেও মিলছে লাশ, মর্গেও জায়গা নেই ইউক্রেনে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের কথা ভাবছেন পুতিন: রিপোর্ট লিবিয়ার রাজনৈতিক বিভাজনের অবসানে কাতারের প্রতিশ্রুতি এই প্রথম ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে ব্যারিস্টার পদধারী  বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সুযোগ ৩৩৮ এজেন্সির ফ্যাসিবাদী সরকারের জ্বালানি নীতির কারণেই বর্তমান সংকট: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী সিমনের পরীক্ষা নিয়ে রাফিনিয়া-লোপেজের গোলে জিতল বার্সেলোনা প্রতিভা থাকলেই হবে না, বিশ্বকাপ খেলতে রোহিতকে যা করতে হবে

হাঁটুপানিতে ভিজে স্কুলে যেতে হচ্ছে কোমলমতি শিশুদের

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১১ আগস্ট, ২০২৩
  • ৪০৩ Time View

ডেস্ক নিউজ : টাঙ্গাইলের গোপালপুরে যাতায়াতের রাস্তা না থাকায় হাঁটুপানিতে ভিজে রোজ স্কুলে যাতায়াত করতে হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের। রাস্তা না থাকায় একটু বৃষ্টিতেই ক্ষেতের আইল ধরে হাঁটুপানি ভেঙে যাতায়াত করতে হয় তাদের। অপরদিকে বিদ্যালয়ের মাঠ না থাকায় খেলাধুলার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত তারা। ১৯৮৭ সালে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। শুরু থেকেই ক্ষেতের আইল পাড়ি দিয়ে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করতে হয় তাদের। 

সরেজমিন দেখা যায়, সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে যায় স্কুল আঙিনায়। এতে ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থী শিমু আক্তার জানায়, পানি ভেঙে বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার পথে প্রতিনিয়ত তাদের বই-খাতা ও পোশাক ভিজে যায়। কখনো পা পিছলে পড়ে যেতে হয়। খেলার মাঠ না থাকায় খেলাধুলা করতে পারে না। এভাবে স্কুলে যাতায়াত করতে মন চায় না। রাস্তা ও খেলার মাঠ নির্মাণ করে দেওয়ার দাবি তার।

অভিভাবক ইউসুফ আলী বলেন, আমার দুই মেয়ে এই স্কুলে পড়ে। বৃষ্টি হলে ক্ষেতের আইলে পানি উঠে যাতায়াতে ঝুঁকি বাড়ে। তাই কাজ বাদ দিয়ে মেয়েদের স্কুলে রেখে আসতে হয়। প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা বলেন, বৃষ্টির মৌসুমে বিদ্যালয়ে আসতে প্রতিদিনই ছাত্রছাত্রীদের বইখাতা ভিজে যায়, এতে অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ। মাঠ না থাকায় শিক্ষার্থীরা খেলাধুলায় ভালো করতে পারছে না। ওয়াশব্লক বরাদ্দ হয়েছিল, রাস্তা না থাকায় অতিরিক্ত খরচে মালামাল বহন করে কাজ করতে ঠিকাদার রাজি হননি।

বিদ্যালয়ের সভাপতি অ্যাডভোকেট রবিউল হাসান রতন বলেন, তিন দিকে বাড়ি ও একদিকে বড় সড়ক থাকায় বৃষ্টির পানি নামতে পারে না। তাই বৃষ্টি হলে দ্রুত জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ভোগান্তি নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি। ইউপি চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান তালুকদার হীরা বলেন, বিদ্যালয়ের রাস্তা নির্মাণের জন্য বরাদ্দ এসেছিল। জমির মালিকরা রাস্তা নির্মাণে আপত্তি জানান। তাই বরাদ্দ ফেরত গেছে। রাস্তা ও মাঠ নির্মাণে পুনরায় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসফিয়া সিরাত বলেন, এ বিষয়ে জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছি। জমির মালিকদের সঙ্গে কথা বলে স্কুলে যাতায়াতের পথ সুগম করা হবে। খেলাধুলার উপযোগী মাঠ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১১ অগাস্ট ২০২৩,/বিকাল ৩:১২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit