বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চোট শঙ্কায় তানজিদ, অনুশীলনে আঙুলে বলের আঘাত পেলেন মুশফিক খাবারের প্যাকেটে করে এলো তেলাপোকা, কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ অভিনেত্রীর উপগ্রহের দাপটে ম্লান রাতের আকাশ, ব্যাহত মহাকাশ গবেষণা শেষ টেস্টে বাংলাদেশের ৪ পেসার খেলানোর সম্ভাবনা, যা বললেন সিমন্স যিনি সর্বাধিক ভোট পাবেন, তার নাম সংসদেই জানিয়ে দেয়া হবে: সিইসি আয়ের চেয়ে লাগামহীন ব্যয়, রেকর্ড ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ বিশ্ব মশা দিবস আজ ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া যুক্তরাষ্ট্র এখনও উত্তর কোরিয়ার শত্রু, কেন বললেন কিমের বোন? ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কঠোর অর্থনৈতিক অভিযানের ঘোষণা ট্রাম্পের

রাশিয়ার ‘নিষেধাজ্ঞার স্বর্ণে’ হাসছে ৩ দেশ

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৭ মে, ২০২৩
  • ৯৬ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : উৎপাদন করা সোনার পাহাড় নিয়ে বড় বিপদে পড়ে যাচ্ছিল রাশিয়া৷ বছরে উৎপাদিত ৩২৫ টন সোনার পুরোটাই দেশের সীমানায় বন্দি থাকলে বড় বিপর্যয় নামতে পারতো রুশ অর্থনীতিতে৷ তবে সুকৌশলে সেই বিপদ এড়িয়েছে ভ্লাদিমির পুতিনের দেশ। আর এতে লাভবান হয়েছে সংযুক্ত আমিরাত, চীন ও তুরস্ক৷

রাশিয়ার আবগারি বিভাগের বরাত দিয়ে ডয়চে ভেলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা নেমে আসার পর সে দেশ থেকে প্রায় এক হাজার সোনার চালান গেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে৷ এই সময়ে সেখানে রুশ সোনার আমদানি না কমে বরং বেড়েছে৷ নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগের বছর, অর্থাৎ ২০২১ সালে ৭৪ দশমিক ৩ টন সোনা রাশিয়া থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে গেছে। অথচ ২০২২ সালে সেখানে আমদানিকৃত সোনা ১ দশমিক ৩ টন বেড়ে হয়েছে ৭৫ দশমিক ৭ টন৷

ইউক্রেনে হামলা চালিয়ে নিষেধাজ্ঞার চাপে পড়া রাশিয়ার সোনার সবচেয়ে বড় ক্রেতা এখন সংযুক্ত আরব আমিরাত৷ তার ঠিক পরেই রয়েছে চীন ও তুরস্ক৷ ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের ৩ মার্চ পর্যন্ত এই দুটি দেশে ২০ টন করে সোনা রপ্তানি করেছে রাশিয়া৷

জার্মান সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, রাশিয়ার কাস্টমস বিভাগের নথিভুক্ত তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশটি নিষেধাজ্ঞা শুরুর পর থেকে যে পরিমাণ সোনা রপ্তানি করেছে, তার ৯৯ দশমিক ৮ শতাংশই গেছে উল্লিখিত তিন দেশ, অর্থাৎ সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন ও তুরস্কে৷

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞার খড়গ নেমে আসার আগে রাশিয়ার সোনা সবচেয়ে বেশি যেতো ব্রিটেনে৷ কিন্তু পশ্চিমা দেশগুলো নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর বিশ্বের অনেক বহুজাতিক ব্যাংক, ধাতু পরিশোধন ও ক্রয়-বিক্রয় প্রতিষ্ঠান মস্কোর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়৷ ২০২২ সালের ৭ মার্চ লন্ডন বুলিয়ন মার্কেট অ্যাসোসিয়েশনও রাশিয়া থেকে সোনার বার আমদানি পুরোপুরি বন্ধ করে৷ ২০২২ সালের আগস্টের মধ্যে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ), সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং জাপানও রাশিয়ার সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেয়৷

রাশিয়ার কৌশল

নিষেধাজ্ঞা শুরুর পর পরই টিকে থাকার কৌশল ঠিক করে নেয় রাশিয়া৷ পুতিন আক্রমণ থামাবেন না, তাই নিষেধাজ্ঞা থাকবেই৷ এ অবস্থায় যেসব দেশ নিষেধাজ্ঞা দেয়নি তাদের সঙ্গে আগের চেয়ে বেশি হারে সোনা রপ্তানির চেষ্টা শুরু করেন রুশ উৎপাদনকারীরা৷ ক্রেতাদের প্রকৃত বাজারমূল্যের চেয়ে ১ শতাংশ কমে ক্রয়ের সুযোগ দেন তারা৷

রাশিয়ার এ কৌশলকে অকার্যকর করার চেষ্টা হয়েছে অনেক, কিন্তু তাতে কাজ হয়নি৷ যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি হুমকি দিয়েছিল তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে৷ ওয়াশিংটন বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে- এমন কোনো দেশ বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক টিকিয়ে রাখলে দেশ দুটি জি-৭ অঞ্চলের বাজারে প্রবেশাধিকার হারাবে৷

তবে তিন দেশে রপ্তানি অব্যাহত রাখতে পারলেও উৎপাদিত সব সোনা যে রাশিয়া বিক্রি করতে পারছে, বিষয়টা তেমন নয়৷ ২০২২ সালে মোট ৩২৫ টন সোনা উৎপাদন করেছে রাশিয়া৷ সেখান থেকে এ পর্যন্ত রপ্তানি হয়েছে মাত্র ১১৬ দশমিক ৩ টন৷

কিউএনবি/অনিমা/২৭ মে ২০২৩,/বিকাল ৫:০২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit