মামলার এজাহার ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জয়পুরহাট জেলা পরিষদের চেয়াম্যান খাজা শামছুল আলমের ছেলে খাজা আল আমিন সোহাগের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তাসহ তিনটি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।তিনটি মামলার পরোয়ানাভূক্ত আসামি খাজা আল আমিন সোহাগ জয়পুরহাট কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠের মুল ফটকে অবস্থান করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় পুলিশ। উপস্থিতি টের পেয়ে সোহাগ দৌড়ে পালানোর চেষ্টার সময় তাঁকে আটক করা হয়। হাতকড়া লাগাতে গেলে সোহাগ পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে গ্রেফতার এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় তার সহযোগীরা সেখানে উপস্থিত হয়ে সরকারি কাজে বাঁধা দেন। একপর্যায়ে তাঁরা আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা বাঁশের লাঠি দিয়ে পুলিশ সদস্য মারপিট করে তাঁদের পাথর ছুড়ে মারেন। পরে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে সেখান গ্রেফতারি পরোয়াভূক্ত আসামি সোহাগসহ তাঁর সহযোগী পান্না কে গ্রেফতার করা হয়।
সেখান থেকে এসআই রেজাউল করিম, এসআই আলমগীর হোসেন ও এএসআই আসাদুজ্জামান জখম অবস্থায় উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম জানান, তিন মামলার পরোয়াভূক্ত আসামি খাজা আল আমিন সোহাগকে গ্রেফতার করতে গিয়ে পুলিশকে মারপিট ও পাথর ছুড়েছে। এতে থানার দুই উপ-পরির্দশক (এসআই) ও একজন সহকারী উপপরির্দশক এএসআই জখম হয়েছেন। আমরা তাঁদের তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। আসামি খাজা আল আমিন সোহাগ ও তার সহযোগী পান্নাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
কিউএনবি/অনিমা/১৭ মে ২০২৩,/সকাল ১০:৪৫