মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২১ অপরাহ্ন

জয়পুরহাট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের ছেলেকে ধরতে গিয়ে হামলা,২ পুলিশ আহত

মিজানুর রহমান মিন্টু,জয়পুরহাট প্রতিনিধি 
  • Update Time : বুধবার, ১৭ মে, ২০২৩
  • ১২২ Time View
মিজানুর রহমান মিন্টু,জয়পুরহাট প্রতিনিধি : জয়পুরহাটে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ তিনটি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভূক্ত আসামি জয়পুরহাট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খাজা শামসুল আলমের ছেলে খাজা আল-আমিন সোহাগকে গ্রেফতার  করতে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের  মারপিট করা  হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে  সোমবার রাতে জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে সামনে থেকে  তিন মামলার পরোনায়াভূক্ত ওই আসামিসহ দুজনকে  গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃতরা হলেন, জয়পুরহাট পৌর শহরের জানিয়ার বাগান মহল্লার বাসিন্দা ও জয়পুরহাট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খাজা শামছুল আলমের ছেলে  খাজা আল আমিন ওরফে সোহাগ (৪২), তেঘরবিশা মহল্লার ফুল মাহমুদের ছেলে শাহাজান আলী পান্না।

 মামলার এজাহার ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জয়পুরহাট জেলা পরিষদের চেয়াম্যান খাজা শামছুল আলমের ছেলে  খাজা আল আমিন সোহাগের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তাসহ তিনটি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।তিনটি মামলার পরোয়ানাভূক্ত আসামি খাজা আল আমিন সোহাগ জয়পুরহাট কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠের মুল ফটকে অবস্থান করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় পুলিশ।  উপস্থিতি টের পেয়ে সোহাগ দৌড়ে পালানোর চেষ্টার সময় তাঁকে আটক করা হয়।  হাতকড়া লাগাতে গেলে সোহাগ পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে গ্রেফতার এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় তার সহযোগীরা  সেখানে উপস্থিত হয়ে সরকারি কাজে বাঁধা দেন। একপর্যায়ে তাঁরা আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা বাঁশের লাঠি দিয়ে পুলিশ সদস্য মারপিট করে তাঁদের পাথর ছুড়ে মারেন। পরে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে সেখান গ্রেফতারি পরোয়াভূক্ত আসামি  সোহাগসহ তাঁর সহযোগী পান্না কে গ্রেফতার করা হয়।
সেখান থেকে এসআই রেজাউল করিম, এসআই আলমগীর হোসেন ও এএসআই আসাদুজ্জামান জখম অবস্থায় উদ্ধার  করে জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম জানান, তিন মামলার পরোয়াভূক্ত আসামি খাজা আল আমিন সোহাগকে গ্রেফতার করতে গিয়ে পুলিশকে মারপিট ও পাথর ছুড়েছে। এতে থানার দুই উপ-পরির্দশক (এসআই)  ও একজন সহকারী উপপরির্দশক এএসআই জখম হয়েছেন। আমরা তাঁদের তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। আসামি খাজা আল আমিন সোহাগ ও তার সহযোগী পান্নাকে  গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

কিউএনবি/অনিমা/১৭ মে ২০২৩,/সকাল ১০:৪৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit