স্পোর্টস ডেস্ক : প্রথম ম্যাচটা বৃষ্টির বাধায় পরিত্যক্ত হওয়ার আগে বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ডের তিনটি উইকেট নিয়েছিল। সেখানে দুই ওভার বল করেই একটি উইকেট তুলে নিয়েছিলেন তাইজুল ইসলাম। দুর্দান্ত শুরুর পর আত্মবিশ্বাসের পারদটা এখন বেশ ওপরেই বাঁহাতি এ স্পিনারের। দ্বিতীয় ম্যাচ শুরুর আগে জানালেন, পেস সহায়ক উইকেট হলেও এখানে স্পিনারদেরও ভালো করার সুযোগ আছে।
তাইজুল বলেন, ‘সাধারণত ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে সবারই ধারণা আছে, পেস বোলাররা ভালো করে। এটা সত্য যে, এ রকম কন্ডিশনে পেসাররা ভালো করে থাকে। তারপরও উইকেটের একটা আচরণ থাকে। এই উইকেটে স্পিনাররা যে ভালো করতে পারবে না, এমন কিছু নয়। ভালো লাইন-লেংথ বজায় রেখে যদি ভালো কিছু করা যায় অবশ্যই সফল হওয়া সম্ভব।’
সাদা বলের শুরুটা মনে রাখার মতো ছিল তাইজুল ইসলামের। ইতিহাসের প্রথম বোলার হিসেবে ওয়ানডে অভিষেকে হ্যাটট্রিক করেছিলেন বাঁহাতি স্পিনার। তবুও এই ফরম্যাটে নিয়মিত হতে পারেননি। বেশির ভাগ সময় তাকে ব্যস্ত রাখা হয়েছে লাল বলের ক্রিকেটে। কিছুটা দেরিতে হলেও এখন সাদা বলের ক্রিকেটেও নিয়মিত হচ্ছেন তাইজুল। লাল বলের সঙ্গে সীমিত ওভারের ক্রিকেটের পার্থক্যটাও ধরতে পারছেন বাঁহাতি স্পিনার।
তাইজুলের ভাষ্যমতে, ‘লাল এবং সাদা বলের আলাদা প্রস্তুতি বলতে হয়তো সাদা বলে বৈচিত্র্যের পরিমাণটা বাড়িয়ে দিতে হয়। আমি সাধারণত প্রক্রিয়াটা একই রকম রাখি। টেস্ট ক্রিকেটে হয়তো ২-১টা বৈচিত্র্য হয়ে যায়। তবে এখানে হয়তো-বা ৬টা বল ৬ ধরনের করা লাগতে পারে। এই জিনিসগুলো ঠিকভাবে করা। এখানে কোচ আছেন রঙ্গনা হেরাথ বা সাকিব (আল হাসান) ভাই আছেন… তাদের সঙ্গে আমি কথা বলি কোন কন্ডিশনে কোন জিনিসটা করলে ভালো হবে।’
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পেস বোলিং ইউনিটের উন্নতিতে স্পিনাররাও সুবিধা পাচ্ছেন বলে মনে করেন তাইজুল, ‘এটা একটা ইতিবাচক দিক যে, আমাদের পেসাররা এখন অনেক ভালো করছে। যখন আমাদের পেসাররা পাওয়ার প্লে-র মধ্যে ২-৩টা উইকেট নিয়ে নেয়, তখন স্পিনারদের জন্য কাজটা অনেক সহজ হয়ে যায়। তখন আমরা ওই সময়ে এসে ভালো আত্মবিশ্বাসে বোলিং করার সুযোগটা পাই।’
কিউএনবি/আয়শা/১২ মে ২০২৩,/বিকাল ৪:৪৩