আন্তর্জাতিক ডেস্ক : হাজার বছরের পুরোনো ঐতিহ্য এবং রীতি অনুযায়ী ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসের আনুষ্ঠানিক রাজ্যাভিষেক শুরু হয়েছে। ১৯৫৩ সালের পর এটি যুক্তরাজ্যে প্রথম এবং ১৮৩৮ সাল থেকে পঞ্চম রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠান। তবে পুরোনো রীতিতে হলেও এই অনুষ্ঠানে একবিংশ শতাব্দীর আধুনিকতার ছোঁয়াও থাকছে।
এবার যা কিছু ব্যাতিক্রম
১৯৩৭ সালের পর এবারই প্রথম টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হচ্ছে কোন অভিষেক অনুষ্ঠান। রঙিন পর্দায় এবং অনলাইনে সম্প্রচার হওয়া প্রথম ব্রিটিশ রাজ্যাভিষেকও এটি।
রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠান হলো ধর্মীয়ভাবে রাজাকে স্বীকৃতি প্রদান। শনিবার দুই ঘণ্টার ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার বেশির ভাগেরই নেতৃত্ব দেবেন ক্যান্টারবুরির আর্চবিশপ জাস্টিন ওয়েলবি। এ ধর্মীয় স্বীকৃতির রীতিটি ১০৬৬ সাল থেকে চলে আসছে। তবে পুরোনো রীতিগুলোর পাশাপাশি এবার থাকবে কিছু ব্যতিক্রম দৃশ্যও। যেমন যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে এবারই প্রথম কোনো রাজ্যাভিষেকে নারী বিশপেরা হাজির থাকবেন।
এ অভিষেক অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাঁরা বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও রাজা-রানিদের কাতারে বসে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারবেন। স্কটল্যান্ড, ইংল্যান্ডসহ বিভিন্ন জায়গার মৌসুমি ফুল ও পাতা দিয়ে ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেকে সাজানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফুলকে তাজা রাখার জন্য ফোমের ব্যবহারও নিষিদ্ধ। অনুষ্ঠানে ব্যবহার হওয়া সব ফুল বৃদ্ধ ও অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করা দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে দান করা হবে। এছাড়া আগের রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠানের পোশাক এবারের অভিষেকে পুনর্ব্যবহার করা হয়েছে।
কিউএনবি/অনিমা/০৬ মে ২০২৩,/সন্ধ্যা ৬:২১