ডেস্ক নিউজ : এর আগেও দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর হিলি ফোর লেন সড়কের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। কিন্তু অল্পকিছু কাজ করে দীর্ঘ সময় কাজ বন্ধ রাখে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তাই স্থানীয়রা এ শঙ্কা প্রকাশ করেছে। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় কাজ কিছুদিন বন্ধ থাকলেও আবারও কাজ শুরু হয়েছে এবং নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজ বন্ধ থাকায় সড়কে তীব্র যানজট এবং ধূলায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। ঘর থেকে বের হয়ে রাস্তা দিয়ে একবার যাতায়াত করলে শরীরে জমে যায় ধুলোর আস্তরণ। এছাড়াও ভাঙা ও খানাখন্দ রাস্তায় যানজটসহ ভোগান্তির শেষ নেই বন্দরের মালবোঝাই গাড়ি ও সাধারণ মানুষের। এতে চরম জন দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে বন্দর এলাকায়। হালকা বৃষ্টিতেই চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়ে এই সড়কটি।
এর আগে গত জানুয়ারি মাসে সড়কটির অল্প কিছু কাজ করে হারিয়ে যায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ সময় পর আবারও সড়কটির উন্নয়ন কাজ শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরছে স্থানীয়দের মাঝে। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আবারও হারিয়ে যাওয়ার শঙ্কা কাটেনি স্থানীয় ও ব্যবসায়ীদের মাঝে। তাদের দাবি একটানা কাজ করে দ্রুত সময়ে যাতে দৃশ্যমান করা পুরো সড়কটির নির্মাণ কাজ।
স্থানীয় রহমত উল্লাহ বলেন, হঠাৎ দেখি শ্রমিকরা কাজ করছে। আবার কয়েকদিন পর দেখি উধাও। এভাবে কোন উন্নয়ন কাজ হয় বলে আমার জানা নেই। স্থানীয় মুদি দোকানদার হাবিব মিয়া বলেন, বর্ষার আগে রাস্তার কাজ শেষ না হলে ভারত থেকে আসা পানিতে ডুবে যাবে আমাদের দোকান। রাস্তার পাশে শত শত দোকান ও গোডাউন আছে।
পণ্য আমদানিকারক রফিকুল ইসলাম বলেন, ভাঙাচোরা রাস্তায় মালামাল বোঝাই গাড়ি যাতায়াতে কষ্ট হয়। কখন যেন গাড়ি উল্টে যায়। এমন একটা পরিস্থিতি। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং এনডিই- এর সাইট ইঞ্জিনিয়ার রাকিব হাসান বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায় কিছু সময় কাজ বন্ধ রাখতে হয়েছে আমাদের। তবে এবার কাজের বড় একটি অংশ দৃশ্যমান করা সম্ভব হবে। শ্রমিকরা দিনরাত ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে।
প্রসঙ্গত, হিলি বন্দরের জিরো পয়েন্ট থেকে পানামা পোর্ট গেট পর্যন্ত ৮০০ মিটার সড়ক ফোর লেন উন্নিতকরণ কাজ গত ২০২২ সালের ৬ ডিসেম্বর শুরু হয়েছে। কাজটিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা।
কিউএনবি/আয়শা/২৬ এপ্রিল ২০২৩,/রাত ৮:০৪