বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন

দুর্গাপুরের ঈদবাজার শেষ মুহূর্তের বেচা-কেনায় ব্যস্ত

তোবারক হোসেন খোকন,দুর্গাপুর(নেত্রকোনা)প্রতিনিধি
  • Update Time : শুক্রবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১২২ Time View

তোবারক হোসেন খোকন,দুর্গাপুর(নেত্রকোনা)প্রতিনিধি : নেত্রকোনার দুর্গাপুর শহরে চলছে শেষ মুহূর্তের ঈদের কেনাকাটা। নিজ নিজ পছন্দের পণ্য কিনতে ক্রেতারা ছুটছেন বিপণিবিতান গুলোতে। তবে পণ্যসামগ্রীর দাম আগের বছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি বলে হতাশ হতে হচ্ছে ক্রেতারা। শুক্রবার দুপুরে শহরের বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে এমনটাই দেখাগেছে।

এবারের ঈদে মেয়েদের পছন্দ ভারতীয় অরগেনজা, মেঘা, চান্দ্রিয়া, জয়পুরী ও পাকিস্তানি সারারা, গারারা নামক থ্রি-পিস। এ ছাড়া চাহিদা রয়েছে কাতান, বারিশ, কারচুপি, বালাহার, মটকা ও কাশ্মীরি কাতান থ্রি-পিসের।শাড়ির মধ্যে বেশি বিক্রি হচ্ছে খাড্ডি বেনারসি, চেন্নাই সিল্ক, বুটিক, মান্দানি ও জামদানি। ছেলেদের পাঞ্জাবি, টুপি, প্যান্ট এবং ছোটদের টি-শার্ট, থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট বিক্রি হচ্ছে বেশি। এ ছাড়া পোশাকের সঙ্গে মানানসই প্রসাধন সামগ্রীর চাহিদাও রয়েছে।

সুবর্না মার্কেটে আসা কসমেটিকস ক্রেতা তাসফিয়া হোসেন তোহা বলেন, দুপুরের পরেই বাজারে এসেছি। পরিবারের জন্য ঈদের কেনাকাটা প্রায় শেষ। আমার জন্য কিছু কসমেটিক কিনবো, পছন্দ মতো জিনিস থাকলেও প্রতিটি দোকানে জিনিষের দাম অনেক বেশি।

নলুয়াপাড়া গ্রাম থেকে আসা বিলকিস বেগম বলেন, বাচ্চাদের জন্য কেনাকাটা করতেই মূলত বাজারে আসা। বাচ্চাদের জুতা কেনা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ছেলের জন্য জামা-প্যান্ট কিনতে পারিনি। বেশ কয়েকটি দোকানে ঘুরেছি। গত বছর যে জামা ছিল ৭০০ টাকা, তা এখন বেড়ে ১০০০ টাকা হয়েছে। পোশাকের দাম এখন আমাদের নাগালের বাইরে। চাহিদা মতো কিনতে পারছি না।’

দুর্গাপুর মধ্যবাজারে গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা বলেন, আমরা যতটা পারি দাম কমিয়ে রাখার চেষ্টা করছি। গত বছরের তুলনায় সব মালের দাম বাড়ায় ক্রেতারা একটু পিছিয়ে আছে। তবে শেষ মুহুর্তের কেনাকাটায় সব ধরনের ক্রেতাই আজকে মার্কেট গুলোতে ভীড় জমিয়েছেন।

কিউএনবি/অনিমা/২১ এপ্রিল ২০২৩,/রাত ৮:০৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit