বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সম্পর্কে ভারতীয় সাংবাদিক সুবীর ভৌমিকের অর্বাচীনতা রাত ১টার মধ্যে ৬ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আভাস নওগাঁর পত্নীতলায় দৈনিক করতোয়ার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বিরামপুরে খানপুর ইউনিয়নে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক যুব দিবস পালিত অপপ্রচারের অভিযোগে দিনাজপুরে এনসিপি নেতার সংবাদ সম্মেলন॥ এবার ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেও দরজা বন্ধ হয়ে আসছে সাকিবের ২৪ ঘণ্টার আলোচনায় অমিত শাহ, রাহুলের সাফ কথা— স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর লেকচার শুনতে আগ্রহী নই খুলনা বরিশাল চট্টগ্রামসহ ৭ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা হলেও উন্নতি হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী আজকের মুদ্রার রেট: ১২ আগস্ট ২০২৬

বেশি বকুনি শিশুর অবসাদের কারণ হতে পারে

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৩
  • ৯০ Time View

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : কাজের চাপ এবং নিজেদের নানা সমস্যা সামলে সন্তান মানুষ করতে গিয়ে অনেক সময়েই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন অভিভাবকরা। সন্তানের জেদ, আবদার সামাল দিতে গিয়ে না চাইতেই কখনও জিনিসে ভরিয়ে দিয়েছেন, আবার কখনও এমন কড়া শাসনে রেখেছেন, যে খুদের জেদ আরও বেড়ে গেছে। শাসন করতে গিয়ে মেজাজ হারিয়ে এমন কিছু কথা বলে ফেললেন যে, তার জের চলল বহু দিন। সম্প্রতি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা অনুযায়ী, শিশুদের কড়া শাসনে রাখলে তাদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি মানসিক সমস্যা তৈরি হয়।

৭৫০০ জন শিশুকে নিয়ে করা ইউনিভার্সিটি অব কেমব্রিজ এবং ইউনিভার্সিটি কলেজ ডাবলিনের যৌথ সমীক্ষায় দেখা গেছে, তিন বছর বয়স থেকে অভিভাবকের কড়া শাসনে থাকা শিশুরা তাদের সমবয়সীদের তুলনায় মানসিক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। ৯ বছর বয়সে তাদের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে দেখা যায়, অধিকাংশই মানসিক রোগে আক্রান্ত। তারা কেউ উদ্বেগে ভুগছে, কেউ আবার সবার সঙ্গে মেলামেশা বন্ধ করে বাড়িতে একা থাকতে পছন্দ করছে।

মনোবিদরা বলছেন, সব শিশুর ক্ষেত্রেই যে এমনটা হবে, তা নয়। কিন্তু অনেক শিশুই সব কথা মন খুলে বলতে পারে না। সে ক্ষেত্রে অনেক কথাই তাদের মনের গভীরে ক্ষত সৃষ্টি করে। সন্তানকে মানুষ করতে গেলে শাসন অবশ্যই করতে হবে। কিন্তু কোন কথা কীভাবে বললে তা শিশুর মনে আঘাত করবে না, তা জানতে হবে অভিভাবককেই। বয়ঃসন্ধিকালীন অবস্থায় অবসাদে ভোগার আশঙ্কাও যথেষ্ট। বিশেষ করে কোনো শারীরিক বা আবেগজনিত জোরাল আঘাত (ট্রমা) বা হেনস্তার ফলে এমন হতে পারে। কখন বা কী অবস্থায় একজন মনোবিদের কাছে যেতেই হবে, পরামর্শ নিয়ে সঠিক রোগ চিহ্নিত করতে হবে, তারও কিছু লক্ষণ রয়েছে। যেমন—

ঘুমের ধরনে পরিবর্তন : বেশি ঘুমানো, খুব কম ঘুমানো, ঘুমের মধ্যেও অস্থিরতা।

খাদ্যাভ্যাসে আমূল পরিবর্তন : খুব বেশি খাওয়া, কম খাওয়া, বার বার খাওয়া।

সামাজিক ব্যবহারে পরিবর্তন : রাগের সঙ্গে মারাত্মক আবেগপ্রবণতা, একটানা কান্না, আগ বাড়িয়ে ঝগড়া করা। বন্ধুবান্ধব এবং পরিবার থেকে নিজেকে গুটিয়ে রাখা।

সব কিছুতেই অনীহা : ক্লান্তি অনুভব করা, আশাহীনতা, অসহায়ত্বে ভোগা, দুশ্চিন্তায় ভোগা। পছন্দের কাজ, হবি, খাবার, খেলা, ক্লাস, বন্ধুদের সম্পর্কে উৎ‌সাহ হারিয়ে ফেলা

পড়াশোনা খারাপ হতে থাকা : মনোযোগ কমা, আগের তুলনায় পড়াশোনার কাজে গতি কমে আসা, স্কুলে যেতে অনীহা।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৩ এপ্রিল ২০২৩,/বিকাল ৪:১৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit