মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আবাসিকসহ বিভিন্ন হোটেলের অতিথিদের তথ্য সংরক্ষণের নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের আশুলিয়ায় শ্রমিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন-বিক্ষোভ  সালিশ বৈঠকে যুবককে হত্যা, একজনের যাবজ্জীবন, একজনের ৫ বছরের কারাদণ্ড চৌগাছার ঐতিহ্যবাহী বলুহ মেলার চলবে ১৫দিন শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার ঠেকাতে কঠোর হচ্ছে ফ্রান্স ইরানের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া পথ নেই আরব দেশগুলোর: বিশ্লেষক শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে কাল থেকে: প্রধানমন্ত্রী প্রথমবার ভারত থেকে বাংলাদেশে ইলিশ রপ্তানি, দুই মাসে এসেছে ৫০০ টন ২০২৯-এর আগেই ভারতের ২১ রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, মুসলিম সমাজে বাড়ছে উদ্বেগ গণতন্ত্রের চর্চা অব্যাহত থাকলে কোনো স্বৈরশক্তিই মাথাচাড়া দিতে পারে না: রিজভী

রাহুল সম্পর্কে যা বললেন দিব্যা

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৩
  • ১০৫ Time View

বিনোদন ডেস্ক : বাবার মৃত্যুর পর একেবারে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। শুধু মুষড়ে পড়াই নয়, বার বারই নিজেকে শেষ করে দেওয়ার চিন্তাভাবনাও ঘিরে ধরেছিল তাকে। তবে সেই ভাবনা থেকে তাকে সরে আসতে সহযোগিতা করেছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এক সাক্ষাৎকারে এমনই দাবি করেছেন কন্নড় অভিনেত্রী দিব্যা স্পন্দনা।

টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, কীভাবে তিনি নিজের মনের সঙ্গে লড়াই চালিয়েছেন, কীভাবে তার দিনগুলি কেটেছে, আর কীভাবেই বা সেই কঠিন পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসেছেন, সাক্ষাৎকারে তা খোলসা করেছেন ভারতীয় লোকসভার সাবেক সংসদ সদস্য দিব্যা স্পন্দনা।

কংগ্রেসের এ মুখপাত্র বলেন, বাবার মৃত্যুর দুই সপ্তাহ পর সংসদে গিয়েছিলাম। তখনও শোকের মুহূর্ত কাটিয়ে উঠতে পারিনি। সংসদে কী হচ্ছিল, কিছুই বুঝতে পারছিলাম না।

কংগ্রেসের সাবেক সংসদ সদস্য আরও জানান, বাবার মৃত্যুর শোক এমনভাবে ঘিরে ধরেছিল যে, তিনি কাজে মন বসাতে পারছিলেন না। তার ওপর আবার নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন। একে তো বাবার মৃত্যু, তার ওপর নির্বাচনে হার- একসঙ্গে দুই ধাক্কা মানসিক অশান্তি আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। তখন মনে হচ্ছিল, আত্মহত্যাই একমাত্র পথ।

সেই পথই যখন বেছে নেওয়ার পথে হাঁটছিলেন, ঠিক সেই সময়েই তার পাশে এসে দাঁড়ান রাহুল গান্ধী। তাকে মানসিকভাবে যথেষ্ট সহযোগিতা ও শক্তি যোগান। আত্মহত্যার চিন্তাভাবনার পথ থেকে সরিয়ে নিয়ে এসেছিলেন তিনি, বলেন দক্ষিণী নায়িকা।

স্পন্দনা বলেন, আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রভাব রয়েছে যাদের, তারা  হলেন আমার মা, তার পর বাবা এবং তৃতীয় জন রাহুল গান্ধী। কন্নড় অভিনেত্রীর দাবি, রাহুল যদি সেদিন তার পাশে এসে না দাঁড়াতেন, তা হলে অনেক কিছু ঘটে যেতে পারতো।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে যুব কংগ্রেসে যোগ দেন স্পন্দনা। কর্নাটকের মান্ড্য থেকে ২০১৩ সালের উপনির্বাচনে জিতে সংসদ সদস্য হন। কংগ্রেসের সমাজমাধ্যম সেলের প্রধান ছিলেন স্পন্দনা। পরে ওই পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। গত বছর আবার অভিনয়ে ফেরার কথাও ঘোষণা করেছিলেন দিব্যা।

কিউএনবি/অনিমা/৩০ মার্চ ২০২৩,/বিকাল ৪:৩৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit