লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : কচুতে প্রচুর পরিমাণে আয়োডিন আর ভিটামিন বি রয়েছে। এই দুই উপাদান মস্তিষ্কের পুষ্টিতে সাহায্য করে। দৃষ্টিশক্তি বাড়াতেও এ কচুর জুড়ি মেলা ভার।
কোলেস্টেরলের সমস্যায় যারা ভুগছেন, তারা নিয়মিত খেতে পারেন কচু তরকারি। এটি রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। আয়রনের ঘাটতি দূর করতেও এ খাবার বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
গলা চুলকানোর ভয়ে যারা কচু খেতে চান না, তারা দুই উপায়ে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
মূলত কচুর লতিতে থাকা অক্সালেট ও র্যাফাইডের (বৈজ্ঞানিক নাম নাম ক্যালসিয়াম অক্সালেট) কারণে গলায় চুলকানোর সমস্যা শুরু হয়।
কচুর এই উপাদান অতি তাপে গলতে শুরু করে। তাই যখন কচু রান্না করতে শুরু করবেন চেষ্টা করুন একটু অতিমাত্রায় রান্না করতে। এ উপায়ে কচু রান্না করলে তা গলা ধরার সুযোগ খুবই কম থাকে।
এ ছাড়া আপনি জানলে অবাক হবেন, অতিমাত্রায় কচু রান্না করলে শুধু গলা চুলকানোর সমস্যাই নষ্ট হয় না, এর কারণে কিডনিতে পাথর জমার সুযোগ কমে যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কচুর র্যাফাইড অতিতাপে রান্নার মাধ্যমে গলানো না হলে তা রক্তে মিশে কিডনি পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়ার সুযোগ পায়, যা পরবর্তী সময়ে কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
কচুর তরকারিতে অল্প লেবু কিংবা তেঁতুলের রস মিশিয়ে নিলে গলা চুলকানোর সমস্যা এড়ানো সম্ভব। এই দুই উপায় মেনে চললেই কচু কখনোই গলা চুলকানোর কারণ হয়ে উঠবে না।
সূত্র: নিউজ ১৮ বাংলা
কিউএনবি/আয়শা/০৫ মার্চ ২০২৩,/বিকাল ৫:৪৫